পটুয়াখালীবাসীর স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে সিটি ল্যাব ডায়াগনস্টিক। আধুনিক, নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত রোগ নির্ণয় সেবা প্রদানের প্রত্যয় নিয়ে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ রোডের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় প্রতিষ্ঠানটির নতুন ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান, ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার মালিক সমিতির সভাপতি বশির আহমেদ মৃধা, কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি পটুয়াখালী জেলা শাখার সভাপতি ইশতিয়াক আহমেদ রাহাত, সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শাহীন এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি পটুয়াখালী জেলা শাখার সিনিয়র সদস্য আলামিন হাওলাদার। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাওলানা আব্দুল হালিম গাজী। এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে নির্ভরযোগ্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং দায়িত্বশীল সেবার কোনো বিকল্প নেই। এসব বিষয় নিশ্চিত করতে পারলে সিটি ল্যাব ডায়াগনস্টিক অল্প সময়ের মধ্যেই সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রতিষ্ঠানটির সংশ্লিষ্টরা জানান, রোগীদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সততা, আন্তরিকতা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে সেবা প্রদান করাই তাদের মূল লক্ষ্য। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ও মানসম্মত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবার চাহিদা পূরণে কাজ করতে চান তারা।
তারা আরও জানান, রোগীদের আস্থা ও সন্তুষ্টিকে প্রাধান্য দিয়ে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। পটুয়াখালীবাসীর জন্য সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত ডায়াগনস্টিক সেবা নিশ্চিত করাই তাদের প্রত্যাশা।
নতুন এই প্রতিষ্ঠানের পথচলার মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীর স্বাস্থ্যসেবা খাতে আরও একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের সংযোজন হলো। সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও দায়িত্বশীল সেবার মাধ্যমে সিটি ল্যাব ডায়াগনস্টিক পটুয়াখালীবাসীর কাছে একটি বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সংশ্লিষ্ট সবার।
সুনিল সরকার, পটুয়াখালী: 











