০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে পি*টি*য়ে ও ছু*রিকা*ঘাত করে অটোচালককে হ*ত্যা

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর বাউফলে অটোচালক মোঃ সুজন হাওলাদার (৩৫) কে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার আমিরাবাদ বাজারের দক্ষিন পাশে মিজান ফার্মেসীর সামনে এ হত্যা কান্ডের ঘটনাটি ঘটে।

উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের দ্বিপাশা গ্রামের মোঃ নবী আলী হাওলাদারের ছেলে নিহত সুজন হাওলাদার। তিনি শ্রমিক লীগ এর রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের লোকজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সোমবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে সুজন যাত্রী নিয়ে আমিরাবাদ বাজারে যাওয়ার পথে রাজনৈতিক পূর্ব বিরোধের জের ধরে বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মূনইমূল ইসলাম মিরাজ (৩৫) এর নেতৃত্বে তার ছোট ভাই মোরসালিন (২৫) ও রাসেল (৩০) সহ ৮ থেকে ১০ জন ছাত্রদল কর্মী সমর্থক তাকে এলোপাথাড়িভাবে পিটিয়ে ও ছুড়িকাঘাত করে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয় লোকজন গুরুত্বর আহত অবস্থায় বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারনে পথিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে বলে ঘোষনা করেন।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Tag:
জনপ্রিয়

বর্ণাঢ্য র‍্যালি, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক আয়োজনে পটুয়াখালীতে লালন সাঁইয়ের তিরোধান দিবস পালিত

বাউফলে পি*টি*য়ে ও ছু*রিকা*ঘাত করে অটোচালককে হ*ত্যা

আপডেট সময়: ০৩:৪০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৫

বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীর বাউফলে অটোচালক মোঃ সুজন হাওলাদার (৩৫) কে পিটিয়ে ও ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকাল সোয়া ৫টার দিকে উপজেলার আমিরাবাদ বাজারের দক্ষিন পাশে মিজান ফার্মেসীর সামনে এ হত্যা কান্ডের ঘটনাটি ঘটে।

উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের দ্বিপাশা গ্রামের মোঃ নবী আলী হাওলাদারের ছেলে নিহত সুজন হাওলাদার। তিনি শ্রমিক লীগ এর রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলো বলে জানিয়েছেন তার পরিবারের লোকজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সোমবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে সুজন যাত্রী নিয়ে আমিরাবাদ বাজারে যাওয়ার পথে রাজনৈতিক পূর্ব বিরোধের জের ধরে বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক মূনইমূল ইসলাম মিরাজ (৩৫) এর নেতৃত্বে তার ছোট ভাই মোরসালিন (২৫) ও রাসেল (৩০) সহ ৮ থেকে ১০ জন ছাত্রদল কর্মী সমর্থক তাকে এলোপাথাড়িভাবে পিটিয়ে ও ছুড়িকাঘাত করে ফেলে রেখে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্থানীয় লোকজন গুরুত্বর আহত অবস্থায় বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারনে পথিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে বলে ঘোষনা করেন।

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে আসামি গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।