০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমন মৃত্যু যেন আল্লাহ কাউকে না দেয়, এ্যাম্বুলেন্সের স্ট্যাচার ধরতে নারাজ আত্নীয়রাও

গতকাল রাত আটটার দিকে একটি সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি পটুয়াখালীর নিষিদ্ধ পল্লীতে একজন মানুষ মারা গিয়েছেন। তথ্য সংগ্রহ করতে আমি যখন সেখানে যাই এর মধ্যে আমাদের পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তিনি চলে আসেন। তিনি আমাদের সাথে নিয়ে সেই ঘরে প্রবেশ করেন যে মহিলার কাছে তিনি এসেছিলেন তার সাক্ষাৎকার নেই, এবং তিনি যা বলেছেন সেই কথা নাই বলে,,,,,,

তবে যখন তার মরদেহ সেই ঘর থেকে সামনে নামানো হয় তখন তার আত্মীয়-স্বজন যে দুই জন এসেছিলেন তারা সেই অ্যাম্বুলেন্সের স্ট্যাচার ধরতে নারজ কারণ সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মিডিয়ার লোকজন তারা ফুটেজ নিবে এজন্য। স্থানীয় কয়েকজনকে সেই স্ট্যাচার ধরার জন্য অনুরোধ করলেও কেউ সামনে এগিয়ে আসেনি। প্রায় ৫ মিনিটের মত অনুরোধ করতেছিল কেউ একজন স্ট্যাচার টি ধরে এম্বুলেন্স উঠিয়ে দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসে নাই।

তখন আমি বলি আমি ধরবো তার সাথে এম্বুলেন্সের যিনি ছিলেন তিনি এগিয়ে এসেছেন আর পুলিশের একজন কর্মকর্তা ও ডোম ঘরের একজন কর্মকর্তা মিলে সামনে নিয়ে আসি।

স্ট্যাচার ধরা অবস্থায় সেই ফুটেজ অনেকে আমাকে মেসেঞ্জার ও মেনশন দিচ্ছেন তাদেরকে বলব যিনি চলে গেছেন তিনি তো চলে গেছেনিই পরিবারবর্গ তাদের কি অবস্থায় রেখে গেছেন। আমি ভাই তারে একজন মানুষ হিসাবে দেখেছি এবং এই কাজটি করেছি। এতে আমার কোনো কিছু ভাবতে হয় নাই।

লেখক:
এ. মাহমুদ হাসান রায়হান
সাংবাদিক ও সমাজকর্মী

Tag:

এমন মৃত্যু যেন আল্লাহ কাউকে না দেয়, এ্যাম্বুলেন্সের স্ট্যাচার ধরতে নারাজ আত্নীয়রাও

আপডেট সময়: ১১:৪৭:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

গতকাল রাত আটটার দিকে একটি সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি পটুয়াখালীর নিষিদ্ধ পল্লীতে একজন মানুষ মারা গিয়েছেন। তথ্য সংগ্রহ করতে আমি যখন সেখানে যাই এর মধ্যে আমাদের পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তিনি চলে আসেন। তিনি আমাদের সাথে নিয়ে সেই ঘরে প্রবেশ করেন যে মহিলার কাছে তিনি এসেছিলেন তার সাক্ষাৎকার নেই, এবং তিনি যা বলেছেন সেই কথা নাই বলে,,,,,,

তবে যখন তার মরদেহ সেই ঘর থেকে সামনে নামানো হয় তখন তার আত্মীয়-স্বজন যে দুই জন এসেছিলেন তারা সেই অ্যাম্বুলেন্সের স্ট্যাচার ধরতে নারজ কারণ সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মিডিয়ার লোকজন তারা ফুটেজ নিবে এজন্য। স্থানীয় কয়েকজনকে সেই স্ট্যাচার ধরার জন্য অনুরোধ করলেও কেউ সামনে এগিয়ে আসেনি। প্রায় ৫ মিনিটের মত অনুরোধ করতেছিল কেউ একজন স্ট্যাচার টি ধরে এম্বুলেন্স উঠিয়ে দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসে নাই।

তখন আমি বলি আমি ধরবো তার সাথে এম্বুলেন্সের যিনি ছিলেন তিনি এগিয়ে এসেছেন আর পুলিশের একজন কর্মকর্তা ও ডোম ঘরের একজন কর্মকর্তা মিলে সামনে নিয়ে আসি।

স্ট্যাচার ধরা অবস্থায় সেই ফুটেজ অনেকে আমাকে মেসেঞ্জার ও মেনশন দিচ্ছেন তাদেরকে বলব যিনি চলে গেছেন তিনি তো চলে গেছেনিই পরিবারবর্গ তাদের কি অবস্থায় রেখে গেছেন। আমি ভাই তারে একজন মানুষ হিসাবে দেখেছি এবং এই কাজটি করেছি। এতে আমার কোনো কিছু ভাবতে হয় নাই।

লেখক:
এ. মাহমুদ হাসান রায়হান
সাংবাদিক ও সমাজকর্মী