পটুয়াখালীর গলাচিপায় ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে দুদলের সংঘর্ষে ৫০ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর হোসেন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় গলাচিপা সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে এ ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে মিরাজ খান (৩০) গুরুতর আহত হওয়ায় গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় মিরাজের বাবা আবুল হোসেন খান বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। গলাচিপা থানা পুলিশ আজ (বৃহস্পতিবার) দুপুরে রতনদীতালতলী ইউনিয়নের মাটিভাঙ্গা নামক এলাকা থেকে জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেফতার করে।
থানাপুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, বুধবার গলাচিপা সদর ইউনিয়নের কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে কালিকাপুর একাদশ ও মাটিভাঙ্গা চ্যালেঞ্জ একাদশের মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা চলছিলো। কালিকাপুর একাদশ এক গোলে এগিয়ে থাকলেও খেলার ১০ মিনিট আগে দুদলের দুই খেলোয়াড়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে কালিকাপুর একাদশের টিম লিডার মিরাজ খানকে অপর দলের টিম লিডার রাকিব তালুকদারের লোকজন ইট দিয়ে মুখমণ্ডলে আঘাত করলে মুখ থেঁতলে যায়। এরপরই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় দুপক্ষের অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়।
এ বিষয়ে ফুটবল খেলা পরিচালনাকারী কমিটির আহ্বায়ক কামাল মৃধা জানান, “চাইনিজবার ফুটবল টুর্নামেন্টে ৩২টি দল অংশগ্রহণ করে। বুধবার অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় মাটিভাঙ্গা চ্যালেঞ্জ একাদশ দায়ী। তাদের কারণে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। এমনকি তারা খেলা কমিটির লোকদের গায়েও হাত তুলেছে।”
গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, “এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপরাধী যেই হোক না কেন, তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী: 











