০৬:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গাবালীতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

মোঃ আনোয়ার হোসেন, পটুয়াখালীঃ ‘দশম গ্রেড দাবি নয়, আমাদের অধিকার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বৈষম্য হ্রাস করে দশম গ্রেড তথা দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদার এক দফা এক দাবিতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মানববন্ধন করেছে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে এ কর্মসূচি করা হয়। ঘন্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক সহকারী শিক্ষক অংশ নেন। যৌক্তিক কর্মসূচির সমর্থন জানিয়ে প্রধান শিক্ষকরাও কর্মসূচীতে যোগ দেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে যোগ্যতার প্রয়োজন হয় স্নাতক কিংবা সমমান। অথচ বেতন গ্রেড ১৩তম। অন্যদিকে একই কারিকুলাম ও সমযোগ্যতায় পিটিআই সংলগ্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্থাৎ পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পাচ্ছেন দশম গ্রেড যা নিতান্তই বৈষম্য। এছাড়াও সরকারী মাধ্যমিকের সহকারী শিক্ষক, পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টররা দশম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। এইচএসসি সমমান ও ডিপ্লোমা পাসে নিয়োগপ্রাপ্ত নার্সদের বেতন দশম গ্রেডে। এসএসসি সমমানে কৃষি ডিপ্লোমায় নিয়োগপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি অফিসার বেতন পাচ্ছেন দশম গ্রেডে।

বক্তারা আরও বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োগ যোগ্যতা স্নাতক পাসে বেতন পাচ্ছেন দশম ও নবম গ্রেডে। অথচ সমযোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আমরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। তাই বক্তারা বৈষম্য নিরসনে অবিলম্বে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের যোগ্যতা ও ন্যায্যতার আলোকে দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি জানান।

এ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলার মৌডুবি বাইলাবুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী শফি উদ্দিন, কাছিয়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইসমাঈল হোসেন,
রাঙ্গাবালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লাভলী ইয়াসমিন, নয়াভাংগুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. লিমন আনসারী ও বাদশা মিয়া প্রমুখ।

এর আগে ঐদিন একই দাবিতে অন্তর্বর্তীনকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষকরা।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

দশমিনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর ভূমি জবর দখলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

রাঙ্গাবালীতে প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আপডেট সময়: ০৪:২২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

মোঃ আনোয়ার হোসেন, পটুয়াখালীঃ ‘দশম গ্রেড দাবি নয়, আমাদের অধিকার” এই স্লোগানকে সামনে রেখে বৈষম্য হ্রাস করে দশম গ্রেড তথা দ্বিতীয় শ্রেণীর মর্যাদার এক দফা এক দাবিতে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মানববন্ধন করেছে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে এ কর্মসূচি করা হয়। ঘন্টাব্যাপী এ কর্মসূচিতে উপজেলার বিভিন্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক সহকারী শিক্ষক অংশ নেন। যৌক্তিক কর্মসূচির সমর্থন জানিয়ে প্রধান শিক্ষকরাও কর্মসূচীতে যোগ দেন।

এ সময় বক্তারা বলেন, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে যোগ্যতার প্রয়োজন হয় স্নাতক কিংবা সমমান। অথচ বেতন গ্রেড ১৩তম। অন্যদিকে একই কারিকুলাম ও সমযোগ্যতায় পিটিআই সংলগ্ন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় অর্থাৎ পরীক্ষণ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পাচ্ছেন দশম গ্রেড যা নিতান্তই বৈষম্য। এছাড়াও সরকারী মাধ্যমিকের সহকারী শিক্ষক, পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টররা দশম গ্রেডে বেতন পাচ্ছেন। এইচএসসি সমমান ও ডিপ্লোমা পাসে নিয়োগপ্রাপ্ত নার্সদের বেতন দশম গ্রেডে। এসএসসি সমমানে কৃষি ডিপ্লোমায় নিয়োগপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি অফিসার বেতন পাচ্ছেন দশম গ্রেডে।

বক্তারা আরও বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা পদে নিয়োগ যোগ্যতা স্নাতক পাসে বেতন পাচ্ছেন দশম ও নবম গ্রেডে। অথচ সমযোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও আমরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। তাই বক্তারা বৈষম্য নিরসনে অবিলম্বে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের যোগ্যতা ও ন্যায্যতার আলোকে দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবি জানান।

এ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন, উপজেলার মৌডুবি বাইলাবুনিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গাজী শফি উদ্দিন, কাছিয়াবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. ইসমাঈল হোসেন,
রাঙ্গাবালী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লাভলী ইয়াসমিন, নয়াভাংগুনি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. লিমন আনসারী ও বাদশা মিয়া প্রমুখ।

এর আগে ঐদিন একই দাবিতে অন্তর্বর্তীনকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বরাবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে স্মারকলিপি প্রদান করেন শিক্ষকরা।