১২:০৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গলাচিপা-রাঙ্গাবালী সীমান্তে জমির দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৪

পটুয়াখালীর গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সীমান্তবর্তী একটি জমির দখলকে কেন্দ্র করে দুই উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে রাব্বি নামে এক যুবক গুরুতর আহতসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আহত রাব্বিকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলা এবং রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিন গ্রামের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত সংলগ্ন একটি জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলা এলাকার বাসিন্দারা জমিটি নিজেদের এলাকার বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিন গ্রামের বাসিন্দারাও জমিটি নিজেদের সীমানার অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করেন।

এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও উত্তেজনার এক পর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হন। পরে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে চরবিশ্বাস ইউনিয়নের সবুজ প্যাদার ছেলে রাব্বিসহ চারজন আহত হন বলে জানা গেছে।

আহত রাব্বির বাবা সবুজ প্যাদা অভিযোগ করে বলেন, মোহাম্মদ জাকির মাতুব্বর ও মোহাম্মদ মোশারফ দালালের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিন গ্রামের মোহাম্মদ জাকির মাতুব্বর ও মোহাম্মদ মোশারফ দালাল বলেন, ওই জমি তাদের এলাকার।

ঘটনার বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। আমাদের এডিএম স্যারকে জানানো হয়েছে।”

রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান বলেন, “আমরা ঘটনাটি এইমাত্র শুনেছি। তবে বিস্তারিত খোঁজখবর নিচ্ছি।”

জমিটির প্রকৃত সীমানা ও মালিকানা নির্ধারণ এবং বিরোধের স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Tag:
জনপ্রিয়

কলাপাড়ায় বৈদ্যুতিক মোটর দিয়ে পানি তুলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধের মর্মান্তিক মৃত্যু, পরিবারে শোক

গলাচিপা-রাঙ্গাবালী সীমান্তে জমির দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, আহত ৪

আপডেট সময়: ১২:৫২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর গলাচিপা ও রাঙ্গাবালী উপজেলার সীমান্তবর্তী একটি জমির দখলকে কেন্দ্র করে দুই উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে উত্তেজনা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে রাব্বি নামে এক যুবক গুরুতর আহতসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আহত রাব্বিকে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলা এবং রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিন গ্রামের মধ্যবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত সংলগ্ন একটি জমির মালিকানা ও দখল নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। চরবিশ্বাস ইউনিয়নের চরবাংলা এলাকার বাসিন্দারা জমিটি নিজেদের এলাকার বলে দাবি করেন। অন্যদিকে, রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিন গ্রামের বাসিন্দারাও জমিটি নিজেদের সীমানার অন্তর্ভুক্ত বলে দাবি করেন।

এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও উত্তেজনার এক পর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে জড়ো হন। পরে তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে চরবিশ্বাস ইউনিয়নের সবুজ প্যাদার ছেলে রাব্বিসহ চারজন আহত হন বলে জানা গেছে।

আহত রাব্বির বাবা সবুজ প্যাদা অভিযোগ করে বলেন, মোহাম্মদ জাকির মাতুব্বর ও মোহাম্মদ মোশারফ দালালের নেতৃত্বে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

অন্যদিকে, অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রাঙ্গাবালীর চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরবেষ্টিন গ্রামের মোহাম্মদ জাকির মাতুব্বর ও মোহাম্মদ মোশারফ দালাল বলেন, ওই জমি তাদের এলাকার।

ঘটনার বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। আমাদের এডিএম স্যারকে জানানো হয়েছে।”

রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুল হাসান বলেন, “আমরা ঘটনাটি এইমাত্র শুনেছি। তবে বিস্তারিত খোঁজখবর নিচ্ছি।”

জমিটির প্রকৃত সীমানা ও মালিকানা নির্ধারণ এবং বিরোধের স্থায়ী সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।