খুলনায় চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে চারটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) খালিশপুর থানা পুলিশ। এ ঘটনায় চুরি মামলার প্রধান আসামিসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাগেরহাটের ফকিরহাট থানা এলাকায় পলাতক এক আসামির বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলগুলো উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ অক্টোবর ২০২৬ দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টা ৪৫ মিনিটে খালিশপুর থানার একটি চুরি মামলার প্রধান আসামি আকবর হোসেন মুন্নাকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়। বটিয়াঘাটা থানার শান্তিনগর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার আলিপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে। বর্তমানে তিনি খুলনার বটিয়াঘাটা থানার দারোগাভিটা এলাকায় বসবাস করতেন।
আকবর হোসেন মুন্নাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বাগেরহাট সদর থানা এলাকার নিজ বাসা থেকে রাব্বি (২০) নামের আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে গ্রেপ্তার দুই আসামির দেওয়া তথ্য এবং আকবর হোসেন মুন্নার দেখানো ও শনাক্তের ভিত্তিতে বাগেরহাটের ফকিরহাট থানা এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পলাতক আসামি তারিকুল ইসলাম চঞ্চলের (৩০) বাড়ি থেকে চারটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর মধ্যে রয়েছে—বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি, নীল রঙের সুজুকি জিক্সার, লাল রঙের হোন্ডা লিভো এবং নীল রঙের এফজেড ভার্সন-৪। মোটরসাইকেলগুলো চুরির ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত এবং সংশ্লিষ্ট অপরাধের তথ্য উদ্ঘাটনে তদন্তের অংশ হিসেবে উদ্ধার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তার আকবর হোসেন মুন্নার বিরুদ্ধে একাধিক চুরির মামলার তথ্য রয়েছে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামিকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলগুলোর বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার এবং এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্তে পুলিশের তদন্ত ও আইনগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
মোঃ আল-মাহফুজ শাওন, খুলনা: 











