০৯:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দুর্গোৎসবে খুলনার ডুমুরিয়ায় হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে মঞ্চস্থ হলো ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা ‘অভাগীর কান্না’

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রংপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা ও ঐতিহ্যবাহী সামাজিক যাত্রাপালা ‘অভাগীর কান্না’। গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের এই আয়োজন ঘিরে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে রংপুর এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে যাত্রাপালাটি পরিণত হয় আনন্দ, আবেগ ও মিলনমেলায়।

শুক্রবার রাত ১০টায় রংপুর কালীবাটী ইউনাইটেড ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ ও পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে মঞ্চস্থ হয় জনপ্রিয় সামাজিক যাত্রাপালা ‘অভাগীর কান্না’। যাত্রাপালার আবেগঘন পরিবেশনা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।

রংপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য বাবু চিত্তরঞ্জন জোদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন।

বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক, খুলনা মফস্বল প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পাওয়ার-সোর্স ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রকৌশলী চন্দন সিনহা। আলোকিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বাবু সন্দীপ চ্যাটার্জি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মাস্টার আইয়ুব আহমেদ, রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শেখ আব্দুস সালাম, সদস্য সচিব মো. খোকন তালুকদার, রংপুর ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মৃত্যুঞ্জয় মল্লিক লাভলু, রঘুনাথপুর ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি নেতা এফ এম সোহাগ এবং পূজা উদযাপন ফ্রন্টের রঘুনাথপুর ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক গোপাল চন্দ্র মন্ডল।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন খুলনা মফস্বল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া তুহিন, সহসম্পাদক সাব্বির, সাংবাদিক আকবরসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

আয়োজকদের এই উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলার গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ধারা। আধুনিক বিনোদনের ভিড়ে যাত্রাপালার মতো লোকজ পরিবেশনা মানুষের মধ্যে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ সংস্কৃতির ঐতিহ্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

Tag:
জনপ্রিয়

ঝালকাঠির নলছিটিতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ৯৫৩ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা

দুর্গোৎসবে খুলনার ডুমুরিয়ায় হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে মঞ্চস্থ হলো ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপালা ‘অভাগীর কান্না’

আপডেট সময়: ০৭:৩৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার রংপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা ও ঐতিহ্যবাহী সামাজিক যাত্রাপালা ‘অভাগীর কান্না’। গ্রামীণ সংস্কৃতি ও লোকজ ঐতিহ্যের এই আয়োজন ঘিরে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাতে রংপুর এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। হাজারো দর্শকের উপস্থিতিতে যাত্রাপালাটি পরিণত হয় আনন্দ, আবেগ ও মিলনমেলায়।

শুক্রবার রাত ১০টায় রংপুর কালীবাটী ইউনাইটেড ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ ও পুষ্পমাল্য অর্পণের মাধ্যমে সংবর্ধনা জানানো হয়। পরে মঞ্চস্থ হয় জনপ্রিয় সামাজিক যাত্রাপালা ‘অভাগীর কান্না’। যাত্রাপালার আবেগঘন পরিবেশনা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উচ্ছ্বাস সৃষ্টি করে।

রংপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য বাবু চিত্তরঞ্জন জোদ্দারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক শেখ সরোয়ার হোসেন।

বরেণ্য অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক, খুলনা মফস্বল প্রেস ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পাওয়ার-সোর্স ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) প্রকৌশলী চন্দন সিনহা। আলোকিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক বাবু সন্দীপ চ্যাটার্জি।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক মাস্টার আইয়ুব আহমেদ, রংপুর ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক শেখ আব্দুস সালাম, সদস্য সচিব মো. খোকন তালুকদার, রংপুর ইউনিয়ন নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সমন্বয়ক মৃত্যুঞ্জয় মল্লিক লাভলু, রঘুনাথপুর ইউনিয়নের সাবেক ছাত্রনেতা ও বিএনপি নেতা এফ এম সোহাগ এবং পূজা উদযাপন ফ্রন্টের রঘুনাথপুর ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক গোপাল চন্দ্র মন্ডল।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন খুলনা মফস্বল প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, সহসভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়া তুহিন, সহসম্পাদক সাব্বির, সাংবাদিক আকবরসহ স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

আয়োজকদের এই উদ্যোগে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দের সঙ্গে যুক্ত হয় বাংলার গ্রামীণ লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী ধারা। আধুনিক বিনোদনের ভিড়ে যাত্রাপালার মতো লোকজ পরিবেশনা মানুষের মধ্যে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে গ্রামীণ সংস্কৃতির ঐতিহ্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।