০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জীবনে চলার পথে মানুষের জীবনে কঠিন সময় কেনো আসে? পবিত্র কোরআনে যা বলা রয়েছে!

জীবনে চলার পথে দুঃখ-কষ্ট, আর কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়া মানবজীবনের নিত্যসঙ্গী। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ সুসংবাদ দিয়েছেন, “নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে স্বস্তি।” (সুরা ইনশিরাহ, আয়াত: ৫-৬)

তবুও মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই একটি গভীর প্রশ্ন জাগে: জীবন কেন শুধুই সুখের হতে পারে না? কেন মুমিনকে জুলুম, অত্যাচার ও নিপীড়নের মুখোমুখি হতে হয়? কেন মহান আল্লাহ কোনো পরীক্ষা ছাড়াই সত্যকে তাৎক্ষণিক বিজয় দান করেন না?

মক্কার কোরাইশরা দীর্ঘকাল প্রিয় নবী (সা.) ও তাঁর সাহাবিদের অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছিল। অথচ মহান আল্লাহ চাইলে এক নিমেষে তাদের সবার হৃদয়কে সত্যের দিকে ফিরিয়ে দিতে পারতেন কিংবা রক্তপাত ও কষ্ট ছাড়াই ইসলামকে বিজয়ী করতে পারতেন।

তবে কি কারনে সৎ মানুষকেও এই কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়? পবিত্র কোরআনের আলোকে বিপদের পেছনের ৭টি কারণ রয়েছে।

মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন, “যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তবে তিনি নিজেই তাদের পরাজিত করতেন; কিন্তু তিনি তোমাদের একে অপরের মাধ্যমে পরীক্ষা করতে চান।” (সুরা মুহাম্মদ, আয়াত: ৪)।

আল্লাহ তাআলা অবশ্যই যেকোনো শক্তিকে এক নিমেষে ধ্বংস করতে পারেন। কিন্তু তাঁর চিরন্তন নিয়ম হলো তার বান্দাকে পরীক্ষার সম্মুখীন করা। কারণ, “তিনিই মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য যে কে তোমাদের মধ্যে আমলের দিক থেকে উত্তম।” (সুরা মুলক, আয়াত: ২)

শান্তিকালীন সময়ে সবাই সত্যের সমর্থক হওয়ার দাবি করতে পারে। কিন্তু কষ্টের সময়েই বোঝা যায় কার দাবি সত্য আর কার দাবি মিথ্যা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “মানুষ কি মনে করে যে ‘আমরা ইমান এনেছি’ এ কথা বললেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না?” (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ২)

এই কঠিন পরীক্ষাগুলোই সত্যবাদীদেরকে মিথ্যাবাদীদের থেকে পৃথক করে দেয়। (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ৩)

Tag:

একই দিনে রাষ্ট্রপতির শপথ, নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ালেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

জীবনে চলার পথে মানুষের জীবনে কঠিন সময় কেনো আসে? পবিত্র কোরআনে যা বলা রয়েছে!

আপডেট সময়: ০৪:১১:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

জীবনে চলার পথে দুঃখ-কষ্ট, আর কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হওয়া মানবজীবনের নিত্যসঙ্গী। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ সুসংবাদ দিয়েছেন, “নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে স্বস্তি।” (সুরা ইনশিরাহ, আয়াত: ৫-৬)

তবুও মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই একটি গভীর প্রশ্ন জাগে: জীবন কেন শুধুই সুখের হতে পারে না? কেন মুমিনকে জুলুম, অত্যাচার ও নিপীড়নের মুখোমুখি হতে হয়? কেন মহান আল্লাহ কোনো পরীক্ষা ছাড়াই সত্যকে তাৎক্ষণিক বিজয় দান করেন না?

মক্কার কোরাইশরা দীর্ঘকাল প্রিয় নবী (সা.) ও তাঁর সাহাবিদের অমানুষিক নির্যাতন চালিয়েছিল। অথচ মহান আল্লাহ চাইলে এক নিমেষে তাদের সবার হৃদয়কে সত্যের দিকে ফিরিয়ে দিতে পারতেন কিংবা রক্তপাত ও কষ্ট ছাড়াই ইসলামকে বিজয়ী করতে পারতেন।

তবে কি কারনে সৎ মানুষকেও এই কঠিন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়? পবিত্র কোরআনের আলোকে বিপদের পেছনের ৭টি কারণ রয়েছে।

মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন, “যদি আল্লাহ ইচ্ছা করতেন, তবে তিনি নিজেই তাদের পরাজিত করতেন; কিন্তু তিনি তোমাদের একে অপরের মাধ্যমে পরীক্ষা করতে চান।” (সুরা মুহাম্মদ, আয়াত: ৪)।

আল্লাহ তাআলা অবশ্যই যেকোনো শক্তিকে এক নিমেষে ধ্বংস করতে পারেন। কিন্তু তাঁর চিরন্তন নিয়ম হলো তার বান্দাকে পরীক্ষার সম্মুখীন করা। কারণ, “তিনিই মৃত্যু ও জীবন সৃষ্টি করেছেন তোমাদের পরীক্ষা করার জন্য যে কে তোমাদের মধ্যে আমলের দিক থেকে উত্তম।” (সুরা মুলক, আয়াত: ২)

শান্তিকালীন সময়ে সবাই সত্যের সমর্থক হওয়ার দাবি করতে পারে। কিন্তু কষ্টের সময়েই বোঝা যায় কার দাবি সত্য আর কার দাবি মিথ্যা। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, “মানুষ কি মনে করে যে ‘আমরা ইমান এনেছি’ এ কথা বললেই তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে, আর তাদের পরীক্ষা করা হবে না?” (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ২)

এই কঠিন পরীক্ষাগুলোই সত্যবাদীদেরকে মিথ্যাবাদীদের থেকে পৃথক করে দেয়। (সুরা আনকাবুত, আয়াত: ৩)