পটুয়াখালী জেলায় গত ০১ জানুয়ারী হতে ১৬ জুন পর্যন্ত পাঁচ মাস ১৫ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিল দুই হাজার ৩’শ ৩১ জন। চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে গেছেন দুই হাজার ১৩৭ জন। এ সময়ে হামে মৃত্যু হয়েছে এক শিশুর।
পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ জেলার ৭ টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স-এ হামের চিকিৎসার জন্য ১০২ টি বেড বরাদ্দ রাখা হয়। এসব বেডে ০১ জানুয়ারী হতে ১৬ জুন-২৬ পর্যন্ত পাঁচ মাস ১৫ দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিল দুই হাজার ৩’শ ৩১ জন। চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে গেছেন দুই হাজার ১৩৭ জন। এ সময়ে হামে মৃত্যু ১ জন। হাম উপসর্গে ভর্তিকৃত রোগীদের মধ্যে ১৪০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় প্রেরন করা হয়। পরীক্ষায় ৪৩ জন হাম রোগী নিশ্চিত হয়েছে। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিশ্চিত হামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে বলে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ খালেদুর রহমান মিয়া জানিয়েছেন। পটুয়াখালীতে হাম রোগের চিকিৎসার কোন সমস্যা নাই বলেও জানান তিনি।
বর্তমানে জেলার ১০২ টি বেডে সন্দেহজনক হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি আছে ১৯৪ জন। উক্ত সংখ্যক হাম উপসর্গে আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে সুস্থ্ হয়ে ফিরে যাওয়ার মধ্যে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ১,৬৮৯ জন, বাউফল উপজেলা হাসপাতাল হত ৮০ জন, দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স হতে ৪০ জন, দুমকি উপজেলা স্বাস্থ কমপ্লেক্স হতে ১৮ জন, মির্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে ৭৮ জন, কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে ১৬৭ জন ও গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে ৬৫ জন ফিরে গেছেন। বর্তমানে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হাম উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসারত আছেন ১৫৮ জন।
জালাল আহমেদ: 













