০৫:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে পটুয়াখালী লতিফ স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন 

  • জালাল আহমেদ:
  • আপডেট সময়: ০৬:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ২৫২ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালী লতিফ মিউনিসিপ্যাল সেমিনারী এর প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন এবং সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ মজিবুর রহমান কর্তৃক ১২ জন সহকারি শিক্ষকের কাছ থেকে বিদ্যালয় জাতীয়করনের কথা বলে ২০ লক্ষ টাকা জোরপূর্বক আদায় এবং বিভিন্ন অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী সহকারি শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকাল ৩ টায় পটুয়াখালী লতিফ মিউনিসিপ্যাল সেমিনারী এর সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালনকালে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী সহকারি শিক্ষক মো. নুরুজ্জামান , মোঃ লোকমান হোসেন, পারভীন সুলতানা, ফারজানা পলি, বাসন্তি রানী দাস, মো. আমির হোসেন, সুলতানা আফিয়া আক্তার, সঙ্গীতা রানী দেবনাথ ও মৌসুমি আক্তার মিতু।

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক এবং তাদের ঘনিষ্ঠ কতক শিক্ষক গোপনে একতরফা ম্যানেজিং কমিটি করে প্রতিষ্ঠানে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছে। ফলে প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানের ২০ জন শিক্ষকের মধ্যে ১২ জন শিক্ষকের কাছ থেকে জাতীয়করনের কথা বলে ২০ লক্ষ টাকা জোর করে নেন প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক। অদ্য পর্যন্ত জাতীয়করন করা হয়নি। আমরা টাকা ফেরত চাইলে উল্লেখিত শিক্ষকদ্বয় তালবাহানা করে বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার হুমকি দেয়। 

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পটুয়াখালী-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সাংসদ ও জেলা প্রশাসক এর কাছে একাধিক আবেদন করেছি। 

এব্যাপারে লতিফ মিউনিপ্যাল সেমিনারীর প্রধন শিক্ষক মো. জাকির হোসেন জানান, “আমি কোন টাকা নেইনি, সরকারী করনের জন্য শিক্ষকরা মিটিং করে রেজুলেশন করেছেন। শুনেছি লতিফ সেমিনারী জাতীয়করনের জন্য টাকা লেনদেন করেছেন সহকারি প্রধান শিক্ষক। আমি একটি টাকাও কারও কাছ থেকে গ্রহণ করিনি। তারা (১২ শিক্ষক) জেলা প্রশাসকের কাছে আমার ও সহকারি প্রধান শিক্ষকের  বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তদন্ত চলছে।”

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

পটুয়াখালীতে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত

ঘুষ, দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে পটুয়াখালী লতিফ স্কুলের প্রধান শিক্ষকসহ দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন 

আপডেট সময়: ০৬:৫৩:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পটুয়াখালী লতিফ মিউনিসিপ্যাল সেমিনারী এর প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন এবং সহকারি প্রধান শিক্ষক মোঃ মজিবুর রহমান কর্তৃক ১২ জন সহকারি শিক্ষকের কাছ থেকে বিদ্যালয় জাতীয়করনের কথা বলে ২০ লক্ষ টাকা জোরপূর্বক আদায় এবং বিভিন্ন অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী সহকারি শিক্ষক-শিক্ষিকারা।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিকাল ৩ টায় পটুয়াখালী লতিফ মিউনিসিপ্যাল সেমিনারী এর সামনে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচী পালনকালে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী সহকারি শিক্ষক মো. নুরুজ্জামান , মোঃ লোকমান হোসেন, পারভীন সুলতানা, ফারজানা পলি, বাসন্তি রানী দাস, মো. আমির হোসেন, সুলতানা আফিয়া আক্তার, সঙ্গীতা রানী দেবনাথ ও মৌসুমি আক্তার মিতু।

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক এবং তাদের ঘনিষ্ঠ কতক শিক্ষক গোপনে একতরফা ম্যানেজিং কমিটি করে প্রতিষ্ঠানে ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে আসছে। ফলে প্রতিষ্ঠানের সুষ্ঠু ও মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানের ২০ জন শিক্ষকের মধ্যে ১২ জন শিক্ষকের কাছ থেকে জাতীয়করনের কথা বলে ২০ লক্ষ টাকা জোর করে নেন প্রধান শিক্ষক ও সহকারি প্রধান শিক্ষক। অদ্য পর্যন্ত জাতীয়করন করা হয়নি। আমরা টাকা ফেরত চাইলে উল্লেখিত শিক্ষকদ্বয় তালবাহানা করে বিভিন্নভাবে ক্ষতি করার হুমকি দেয়। 

ভুক্তভোগী শিক্ষকরা বলেন, তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য পটুয়াখালী-১ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সাংসদ ও জেলা প্রশাসক এর কাছে একাধিক আবেদন করেছি। 

এব্যাপারে লতিফ মিউনিপ্যাল সেমিনারীর প্রধন শিক্ষক মো. জাকির হোসেন জানান, “আমি কোন টাকা নেইনি, সরকারী করনের জন্য শিক্ষকরা মিটিং করে রেজুলেশন করেছেন। শুনেছি লতিফ সেমিনারী জাতীয়করনের জন্য টাকা লেনদেন করেছেন সহকারি প্রধান শিক্ষক। আমি একটি টাকাও কারও কাছ থেকে গ্রহণ করিনি। তারা (১২ শিক্ষক) জেলা প্রশাসকের কাছে আমার ও সহকারি প্রধান শিক্ষকের  বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তদন্ত চলছে।”