নৌ-পথে যাত্রী সাধারণের সুবিধার্থে পটুয়াখালী লঞ্চ টার্মিনাল ঘাটে ঢাকাগামী নোঙর করা পাঁচটি দোতলা লঞ্চ থেকে ফ্লোরে পাতা (বিছানো) শতাধিক তোষক ও চাদর জব্দ করা হয়েছ। এতে সাধারণ যাত্রীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যার দিকে ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার পূর্বে পটুয়াখালী লঞ্চঘাটে নোঙ্গর করা ঢাকাগামী এ.আর খান-১, কুয়াকাটা-১, কাজল-৭ ও এমভি পূবালীসহ পাঁচটি দোতলা লঞ্চে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে আমিনুল আশ্রাফ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাবিবুর রহমান এর নেতৃত্বে একদল রোবার ও স্কাউটস এবং আনসার ব্যাটালিয়নের সহযোগীতায় অভিযান চালিয়ে শতাধিক তোষক ও কথিত বিছানা চাদর জব্দ করেন।
জব্ধকৃত তোষক ও চাদর লঞ্চঘাট এলাকাস্থ অসহায় দুঃস্থ নারী পুরুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নদী বন্দর কর্মকর্তা জাকির শাহরিয়ার, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর তুষার কান্তি বণিক, জেলা স্কাউটস এর কোষাধ্যক্ষ মো. আঃ কায়ুমসহ ১২ জন রোবার ও স্কাউট।
পোর্ট অফিসার জানান, “আমরা প্রতিদিন মাইকিং করে থাকি। আজ দুইজন ম্যাজিস্ট্রেট ঘাটে থাকা লঞ্চসমূহে অভিযান পরিচালনা করে শতাধিক তোষক ও চাদর জব্ধ করা হয়েছে। লঞ্চের লস্করসহ অন্যান্য কর্মচারীরা নিজেদের থাকার জন্য ব্যবহৃত তোষক ও চাদর বিছিয়ে ভাড়া আদায় করে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
কয়েকজন যাত্রী জানান, লঞ্চের কিছু লোক তোষক ও চাদর বিছিয়ে নির্ধারিত ভাড়া টাকা ছাড়া সর্বনিম্ন ৩’শ টাকা থেকে ৫’শ, হাজার টাকারও বেশী টাকা আদায় করে আসছিল। ঈদ মৌসুমে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেয় বলেও ভুক্তভোগীরা জানান। সাধারণ যাত্রীরা এ অভিযানের জন্য সাধুবাদ জানান।
জালাল আহমেদ: 













