পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে হাত বাঁধা অবস্থায় আহম্মেদ সবুজ (৩২) নামে এক মালয়েশিয়া প্রবাসীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) দুপুর পৌনে তিনটার দিকে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের দাসের ডাঙ্গা গ্রামে এ রহস্যজনক ঘটনা ঘটে। নিহত সবুজ ওই গ্রামের মো. হারুন অর রশীদ হাওলাদারের ছেলে।
পেছনে দুই হাত বাঁধা এবং গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে চরম চাঞ্চল্য ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘ ১২ বছর মালয়েশিয়ায় প্রবাস জীবন কাটিয়ে মাত্র দুই মাস আগেই দেশে ফিরেছিলেন সবুজ। বৃহস্পতিবার দুপুরে তার বাবা হারুন অর রশীদ বাড়ির একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় রান্নাঘরের জানালা দিয়ে ছেলেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তিনি দেখতে পান, ঘরের ফ্যানের লোহার হুকের সাথে নাইলনের দড়িতে সবুজের মরদেহ ঝুলছে, আর তার হাত দুটি পেছনে বাঁধা। তার চিৎকারে পরিবার ও প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন।
খবর পেয়ে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।
মির্জাগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) খান নুরুল ইসলাম জানান, “মরদেহটি হাত বাঁধা অবস্থায় ঝুলছিল এবং ঘরের দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
বাপ্পি চন্দ্র, মির্জাগঞ্জ, পটুয়াখালী: 













