১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক ওয়ান হেলথ প্রতিযোগিতায় পবিপ্রবি চ্যাম্পিয়ন

ওয়ান হেলথ ভিলেজ’ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ওয়ান হেলথ নেটওয়ার্ক আয়োজিত ‘সিওহান-২০২৬ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতা: ওয়ান হেলথ ক্যাম্পাস-টু-কমিউনিটি চ্যালেঞ্জ’এ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত বাংলাদেশী দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

দলের নেতৃত্ব দেন পবিপ্রবির ডিভিএম বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাইমুন হাসান। দলের অধিকাংশ সদস্য পবিপ্রবির শিক্ষার্থী এবং তাদের সুপারভাইজার ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম রুমি।

বিজয়ী প্রকল্প ‘ওয়ান হেলথ ভিলেজ’ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ও মাধবপাশা এলাকায় ওয়ান হেলথ শিক্ষা, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সচেতনতা, জলাতঙ্ক, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ বিভিন্ন জুনোটিক রোগ প্রতিরোধ এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে।

এ সাফল্যের ফলে দলটি ২ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান, আন্তর্জাতিক মেন্টরশিপ ও ২০২৬ সালের আঞ্চলিক নলেজ-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে প্রকল্প উপস্থাপনের সুযোগ পাবে।

আয়োজকদের মতে, প্রকল্পটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ওয়ান হেলথ শিক্ষার একটি টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রয়োগযোগ্য মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

Tag:

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজ ছেলেকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা! শিশুটিকে উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ওয়ান হেলথ প্রতিযোগিতায় পবিপ্রবি চ্যাম্পিয়ন

আপডেট সময়: ০৫:২১:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

ওয়ান হেলথ ভিলেজ’ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ ওয়ান হেলথ নেটওয়ার্ক আয়োজিত ‘সিওহান-২০২৬ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী প্রতিযোগিতা: ওয়ান হেলথ ক্যাম্পাস-টু-কমিউনিটি চ্যালেঞ্জ’এ পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের নিয়ে গঠিত বাংলাদেশী দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

দলের নেতৃত্ব দেন পবিপ্রবির ডিভিএম বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাইমুন হাসান। দলের অধিকাংশ সদস্য পবিপ্রবির শিক্ষার্থী এবং তাদের সুপারভাইজার ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড পাবলিক হেলথ বিভাগের অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম রুমি।

বিজয়ী প্রকল্প ‘ওয়ান হেলথ ভিলেজ’ বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ও মাধবপাশা এলাকায় ওয়ান হেলথ শিক্ষা, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) সচেতনতা, জলাতঙ্ক, এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জাসহ বিভিন্ন জুনোটিক রোগ প্রতিরোধ এবং পরিবেশগত স্বাস্থ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে।

এ সাফল্যের ফলে দলটি ২ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান, আন্তর্জাতিক মেন্টরশিপ ও ২০২৬ সালের আঞ্চলিক নলেজ-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে প্রকল্প উপস্থাপনের সুযোগ পাবে।

আয়োজকদের মতে, প্রকল্পটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ওয়ান হেলথ শিক্ষার একটি টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রয়োগযোগ্য মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।