১০:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইছে হিম বাতাস; জনজীবনে চরম ভোগান্তি

পটুয়াখালীতে গত দুই দিনের তুলনায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা। সেই সঙ্গে বইছে হিম বাতাস। ঘন কুয়াশা এবং হিম বাতাস বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের তীব্রতা। খুব ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত দেখা মিলছেনা সূর্যের। দিনের বেলায়ও হেড লাইট জালিয়ে চলছে যানবাহন। আজ সকাল নয়টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১১.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস। এভাবে আরও ২-৩ দিন থাকবে। এসময় কুয়াশার দৃষ্টিসীমা ছিলো ৫০ মিটারের নিচে। আর বাতাসের আদ্রতা ছিলো ৯০ শতাংশ।

ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে। সবেচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে বিভিন্ন যানবাহনের চালক, শ্রমিক ও কৃষক সহ সাধারণ মানুষ। অনেকেই খড়কুটো জালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এদিকে দেখা যাচ্ছে পুরাতন গাউন মার্কেটে নিম্ন আয়ের মানুষজন শীত বস্ত্র কেনাকাটা করছে। হাসাপাতালগুলোতে বেড়েছে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

দশমিনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর ভূমি জবর দখলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

পটুয়াখালীতে ঘন কুয়াশার সঙ্গে বইছে হিম বাতাস; জনজীবনে চরম ভোগান্তি

আপডেট সময়: ০৪:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালীতে গত দুই দিনের তুলনায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির মতো ঝড়ছে কুয়াশা। সেই সঙ্গে বইছে হিম বাতাস। ঘন কুয়াশা এবং হিম বাতাস বাড়িয়ে দিয়েছে শীতের তীব্রতা। খুব ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত দেখা মিলছেনা সূর্যের। দিনের বেলায়ও হেড লাইট জালিয়ে চলছে যানবাহন। আজ সকাল নয়টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১১.৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস। এভাবে আরও ২-৩ দিন থাকবে। এসময় কুয়াশার দৃষ্টিসীমা ছিলো ৫০ মিটারের নিচে। আর বাতাসের আদ্রতা ছিলো ৯০ শতাংশ।

ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে জনজীবনে চরম ভোগান্তি নেমে এসেছে। সবেচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে বিভিন্ন যানবাহনের চালক, শ্রমিক ও কৃষক সহ সাধারণ মানুষ। অনেকেই খড়কুটো জালিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা চালাচ্ছেন। এদিকে দেখা যাচ্ছে পুরাতন গাউন মার্কেটে নিম্ন আয়ের মানুষজন শীত বস্ত্র কেনাকাটা করছে। হাসাপাতালগুলোতে বেড়েছে শীত জনিত রোগীর সংখ্যা।