০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে পায়রা’র নিষ্ঠুর গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে সহস্রাধিক বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

সুনিল সরকার, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে সদর উপজেলার ১নং চান্দখালী গ্রাম এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৫নং পিপড়াখালী গ্রামের বাজারসহ সহস্রাধিক বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

পটুয়াখালীর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী জেলায় বন্যা নিয়ন্ত্র বেড়িবাঁধ রয়েছে ১ হাজার ৩৩৫ কিমি.। এর মধ্যে পাউবোর অধীনে ৮২২ কিলোমিটার। এসব উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলার চান্দখালী এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলার পিঁপরাখালী এলাকার বেড়িবাঁধের অবস্থা নাজুক ও বিপদজনক অবস্থায় রয়েছে। ইতোমধ্যে বেড়িবাঁধটি তিন দফা পরিবর্তন করেও শেষ রক্ষা হয়নি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা, বাজার, রাস্তাঘাট ও অসংখ্য গাছ-পালা, ঘড়-বাড়ি ও ফসলী জমি নদীর গর্ভে চলে গেছে। অধিকাংশই নদীর তীরবর্তী মানুষ ঘর-বাড়ি স্থানান্তর করে বেঁচে থাকার জন্য অন্যত্র আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছে। আগ্রাসী নদী ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। তারা এখন ত্রান চায় না, চায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ। তাই আশ্বাস নয়, স্থায়ী সমাধানের দাবী স্থানীয় ভুক্তভোগীদের।

যে সকল যায়গায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানপনা আছে অথবা বেড়িবাঁধ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আমরা বর্তমানে ভাঙ্গন রোধে অস্থায়ীভাবে কাজ করছি, তবে খুব শীগ্রই ভাঙ্গন রোধে স্থায়ীভাবে সমাধানের কথা জানালেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মো: রাকিব, নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, পটুয়াখালী।

পটুয়াখালীতে মোট ১হাজার তিনশ’ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ ২২ কিমি. বাকি ৬ কি. মিটার বেড়িবাঁধ পুরো ক্ষতিগ্রস্থ রয়েছে।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

দশমিনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর ভূমি জবর দখলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

পটুয়াখালীতে পায়রা’র নিষ্ঠুর গ্রাসে বিলীন হয়ে গেছে সহস্রাধিক বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান

আপডেট সময়: ০৩:০৪:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

সুনিল সরকার, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর পায়রা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে সদর উপজেলার ১নং চান্দখালী গ্রাম এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলার ৫নং পিপড়াখালী গ্রামের বাজারসহ সহস্রাধিক বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

পটুয়াখালীর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী জেলায় বন্যা নিয়ন্ত্র বেড়িবাঁধ রয়েছে ১ হাজার ৩৩৫ কিমি.। এর মধ্যে পাউবোর অধীনে ৮২২ কিলোমিটার। এসব উপজেলার মধ্যে সদর উপজেলার চান্দখালী এবং মির্জাগঞ্জ উপজেলার পিঁপরাখালী এলাকার বেড়িবাঁধের অবস্থা নাজুক ও বিপদজনক অবস্থায় রয়েছে। ইতোমধ্যে বেড়িবাঁধটি তিন দফা পরিবর্তন করেও শেষ রক্ষা হয়নি। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, মাদ্রাসা, বাজার, রাস্তাঘাট ও অসংখ্য গাছ-পালা, ঘড়-বাড়ি ও ফসলী জমি নদীর গর্ভে চলে গেছে। অধিকাংশই নদীর তীরবর্তী মানুষ ঘর-বাড়ি স্থানান্তর করে বেঁচে থাকার জন্য অন্যত্র আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করছে। আগ্রাসী নদী ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। তারা এখন ত্রান চায় না, চায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ। তাই আশ্বাস নয়, স্থায়ী সমাধানের দাবী স্থানীয় ভুক্তভোগীদের।

যে সকল যায়গায় গুরুত্বপূর্ণ স্থানপনা আছে অথবা বেড়িবাঁধ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, আমরা বর্তমানে ভাঙ্গন রোধে অস্থায়ীভাবে কাজ করছি, তবে খুব শীগ্রই ভাঙ্গন রোধে স্থায়ীভাবে সমাধানের কথা জানালেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা মো: রাকিব, নির্বাহী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড, পটুয়াখালী।

পটুয়াখালীতে মোট ১হাজার তিনশ’ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ রয়েছে। এর মধ্যে আংশিক ক্ষতিগ্রস্থ ২২ কিমি. বাকি ৬ কি. মিটার বেড়িবাঁধ পুরো ক্ষতিগ্রস্থ রয়েছে।