সরকারের অগ্রাধিকারভিত্তিক পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পটুয়াখালীতে মিয়াওয়াকি বন সৃজন কার্যক্রমের আওতায় বৃক্ষরোপণ শুরু হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে সার্কিট হাউসের সামনে পটুয়াখালী পৌরসভার উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী, পৌর প্রশাসক ও উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) উপ সচিব জুয়েল রানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (আইসিটি-শিক্ষা) তারেক হাওলাদারসহ জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং পটুয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের সদস্যরা। এ সময় মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।
জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। সরকারের ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি পরিবেশ সুরক্ষার একটি জাতীয় আন্দোলন।”
তিনি সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ মানুষকে বেশি বেশি গাছ লাগানো এবং পরিচর্যার আহ্বান জানান।
পৌর প্রশাসক ও উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) জুয়েল রানা বলেন, “পটুয়াখালী পৌরসভা একটি সবুজ ও পরিবেশবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে কাজ করছে। মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে স্বল্প জায়গায় দ্রুত ঘন বন সৃজন সম্ভব, যা নগর এলাকায় বায়ুদূষণ হ্রাস করবে, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।” তিনি এ ধরনের উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ত হওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, মিয়াওয়াকি পদ্ধতিতে ঘনবন সৃষ্টি করলে স্বল্প সময়ে প্রাকৃতিক বনের মতো পরিবেশ তৈরি হয় এবং গাছের বৃদ্ধি তুলনামূলক দ্রুত হয়। কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ সংরক্ষণে নিজেদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সরকারের বৃহৎ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে একটি সবুজ, টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।
জালাল আহমেদ: 













