০৩:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও রেহাই পেলেন না তাঁতী দল নেতা হুমায়ুন কবির, এলোপাতাড়ি কু/পিয়ে হ/ত্যা করে দুর্বৃত্তরা

খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে (সৈয়দ হুমায়ুন কবির) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হিল ক্যান্টিনে’ এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ুন কবির সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। তিনি রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাঁকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজন সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লব অভিযোগ করেন, ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তাঁর সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হুমায়ুন কবিরের ওপর হামলা চালান। তাঁর দাবি, হামলাকারীরা তাঁকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

অন্যদিকে, পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, একটি ফ্রিজ কেনার বকেয়া টাকা নিয়ে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে আরাফাত নামের এক ব্যক্তির বিরোধের সূত্রপাত হয়। সেই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনেরা।

হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয়রা।

Tag:
জনপ্রিয়

বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধার প্রতিবাদে পটুয়াখালীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন

খুলনায় নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও রেহাই পেলেন না তাঁতী দল নেতা হুমায়ুন কবির, এলোপাতাড়ি কু/পিয়ে হ/ত্যা করে দুর্বৃত্তরা

আপডেট সময়: ১১:০৬:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবিরকে (সৈয়দ হুমায়ুন কবির) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রোববার (১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নগরীর রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে তাঁর নিজস্ব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হিল ক্যান্টিনে’ এ হামলার ঘটনা ঘটে।

নিহত হুমায়ুন কবির সৈয়দ আনোয়ার আলীর ছেলে। তিনি রায়েরমহল বড় মসজিদের পেছনে নিজ বাড়িতে বসবাস করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থানকালে একদল দুর্বৃত্ত ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাঁকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজন সৈয়দ দিদারুল করিম বিপ্লব অভিযোগ করেন, ছাত্রদল নেতা আরাফাত ও তাঁর সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হুমায়ুন কবিরের ওপর হামলা চালান। তাঁর দাবি, হামলাকারীরা তাঁকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।

অন্যদিকে, পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, একটি ফ্রিজ কেনার বকেয়া টাকা নিয়ে হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে আরাফাত নামের এক ব্যক্তির বিরোধের সূত্রপাত হয়। সেই বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের স্বজনেরা।

হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন স্থানীয়রা।