০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে পুলিশের অভিযানে মা/দক ও ডা/কা/তিসহ ৯ মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী গ্রে/প্তার; কোর্টে সোপর্দ

পটুয়াখালী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড টাউল বহাল গাছিয়ার ৯টি মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামী ও চিহ্নিত অপরাধী মাদক সম্রাট আবুল বাশারকে চৌরাস্তা স্টার রেস্টুরেন্ট এর সামনে থেকে গ্রেফতার করেছে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ।

গতকাল এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতি সহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল আনুমানিক ৪.৩০ মিনিটের সময় পটুয়াখালী পৌর শহরের স্টার রেস্টুরেন্ট এর সামনে থেকে মাদক সম্রাট ৯ মামলার আসামী আবুল বাসরকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক সময় সামান্য আয়ের একটি মুরগীর ফার্মে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন আবুল বাশার। সেখান থেকে হঠাৎ করেই অঢেল অর্থ ও সম্পদের মালিক বনে যান তিনি। রাতারাতি শূন্য থেকে কোটিপতি হয়ে ওঠার এই রহস্য নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই গুঞ্জন ও কৌতুহল ছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই সে এই বিপুল সম্পদের পাহাড় গড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি জানান, নিজ এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট চালায় তিনি। এছাড়াও সরকারি খাল জবর দখল করে নিজের পালিত মাদকের সাথে জড়িত এমন লোক দিয়ে পরিচালিত করে আসছেন এই মাদক সম্রাট আবুল বাসার। এক সময় ভাত খেতে পারতো না, অন্যের মুরগীর খামারে কাজ করতো। গা থেকে মুরগীর গন্ধ আসতো। তিনি আজ কোটি টাকার মালিক। ঢাকায় অঢেল সম্পত্তি। এর উৎস কোথায় মাদক এমনটাই জানান তিনি।

পটুয়াখালী সদর থানার এ. এস. আই. রিপন জানান, “থানায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট তামিল হয়েছে। ওয়ারেন্টের পেপার আমার দায়িত্বে ছিল। তাই অনেক কৌশল অবলম্বন করে তাকে ধরতে সক্ষম হয়েছি।”

​পটুয়াখালী সদর থানার কর্মকর্তা ওসি মনিরুজ্জামান (মনির) বলেন, “বাশারের বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতি সংক্রান্ত মামলার পাশাপাশি মোট ৯টি পৃথক মামলা রয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থেকে এলাকা ও তার আশপাশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলো। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”

Tag:
জনপ্রিয়

ডেঙ্গু প্রতিরোধে গলাচিপায় ৩ মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুধু নির্দেশনা নয়, নিজেই হাত লাগালেন ইউএনও

পটুয়াখালীতে পুলিশের অভিযানে মা/দক ও ডা/কা/তিসহ ৯ মামলার ওয়ারেন্টভূক্ত আসামী গ্রে/প্তার; কোর্টে সোপর্দ

আপডেট সময়: ০৬:৫৬:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালী পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ড টাউল বহাল গাছিয়ার ৯টি মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামী ও চিহ্নিত অপরাধী মাদক সম্রাট আবুল বাশারকে চৌরাস্তা স্টার রেস্টুরেন্ট এর সামনে থেকে গ্রেফতার করেছে পটুয়াখালী সদর থানা পুলিশ।

গতকাল এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতি সহ বিভিন্ন গুরুতর অপরাধের একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

গতকাল শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল আনুমানিক ৪.৩০ মিনিটের সময় পটুয়াখালী পৌর শহরের স্টার রেস্টুরেন্ট এর সামনে থেকে মাদক সম্রাট ৯ মামলার আসামী আবুল বাসরকে গ্রেপ্তার করেছে সদর থানা পুলিশ।

​স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এক সময় সামান্য আয়ের একটি মুরগীর ফার্মে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন আবুল বাশার। সেখান থেকে হঠাৎ করেই অঢেল অর্থ ও সম্পদের মালিক বনে যান তিনি। রাতারাতি শূন্য থেকে কোটিপতি হয়ে ওঠার এই রহস্য নিয়ে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই গুঞ্জন ও কৌতুহল ছিল। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা এবং অবৈধ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই সে এই বিপুল সম্পদের পাহাড় গড়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ব্যক্তি জানান, নিজ এলাকায় মাদকের সিন্ডিকেট চালায় তিনি। এছাড়াও সরকারি খাল জবর দখল করে নিজের পালিত মাদকের সাথে জড়িত এমন লোক দিয়ে পরিচালিত করে আসছেন এই মাদক সম্রাট আবুল বাসার। এক সময় ভাত খেতে পারতো না, অন্যের মুরগীর খামারে কাজ করতো। গা থেকে মুরগীর গন্ধ আসতো। তিনি আজ কোটি টাকার মালিক। ঢাকায় অঢেল সম্পত্তি। এর উৎস কোথায় মাদক এমনটাই জানান তিনি।

পটুয়াখালী সদর থানার এ. এস. আই. রিপন জানান, “থানায় তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট তামিল হয়েছে। ওয়ারেন্টের পেপার আমার দায়িত্বে ছিল। তাই অনেক কৌশল অবলম্বন করে তাকে ধরতে সক্ষম হয়েছি।”

​পটুয়াখালী সদর থানার কর্মকর্তা ওসি মনিরুজ্জামান (মনির) বলেন, “বাশারের বিরুদ্ধে মাদক ও ডাকাতি সংক্রান্ত মামলার পাশাপাশি মোট ৯টি পৃথক মামলা রয়েছে। সে দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থেকে এলাকা ও তার আশপাশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিলো। গ্রেফতারের পর তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।”