০৬:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইউনিয়ন বিভক্তিতে গলাচিপার নির্বাচনী সমীকরণে নতুন হিসাব

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সাবেক গোলখালী ইউনিয়নের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের ফলে সাবেক গোলখালী ইউনিয়ন বিভক্ত হয়ে গোলখালী ও নলুয়াবাগী নামে দুটি পৃথক ইউনিয়ন গঠিত হওয়ায় নির্বাচনী হিসাব-নিকাশও নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।

নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, নলুয়াবাগী ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৯৪১ জন। অন্যদিকে নতুন গোলখালী ইউনিয়নে সাবেক গোলখালী ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের ৯ হাজার ৮৯৯ জন এবং হরিদেবপুর ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের ১১ হাজার ৭৪০ জন ভোটার নিয়ে নতুন ভোটের সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, অতীতে সাবেক গোলখালী ইউনিয়নে নলুয়াবাগী এলাকায় ভোটার সংখ্যা বেশি থাকায় সেখানকার প্রার্থীরাই চেয়ারম্যান নির্বাচনে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতেন। ফলে সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার অনুভূতি ছিল বলে অনেকে মনে করেন।

তবে ইউনিয়ন বিভক্ত হওয়ার পর এবার সেই চিত্র বদলাতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সৎ ভাবমূর্তি, জনসম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ—এসব বিষয়ই প্রার্থীদের সাফল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের আস্থা কারা অর্জন করতে পারবেন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনী প্রচারণা, জনসমর্থন এবং ভোটের ফলাফলের ওপর।

Tag:

ইউনিয়ন বিভক্তিতে গলাচিপার নির্বাচনী সমীকরণে নতুন হিসাব

আপডেট সময়: ১২:৫৬:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সাবেক গোলখালী ইউনিয়নের রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন পরিবর্তনের আভাস দেখা যাচ্ছে। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের ফলে সাবেক গোলখালী ইউনিয়ন বিভক্ত হয়ে গোলখালী ও নলুয়াবাগী নামে দুটি পৃথক ইউনিয়ন গঠিত হওয়ায় নির্বাচনী হিসাব-নিকাশও নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে।

নির্বাচনী তথ্য অনুযায়ী, নলুয়াবাগী ইউনিয়নের মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৯৪১ জন। অন্যদিকে নতুন গোলখালী ইউনিয়নে সাবেক গোলখালী ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের ৯ হাজার ৮৯৯ জন এবং হরিদেবপুর ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের ১১ হাজার ৭৪০ জন ভোটার নিয়ে নতুন ভোটের সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, অতীতে সাবেক গোলখালী ইউনিয়নে নলুয়াবাগী এলাকায় ভোটার সংখ্যা বেশি থাকায় সেখানকার প্রার্থীরাই চেয়ারম্যান নির্বাচনে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতেন। ফলে সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বঞ্চনার অনুভূতি ছিল বলে অনেকে মনে করেন।

তবে ইউনিয়ন বিভক্ত হওয়ার পর এবার সেই চিত্র বদলাতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে সাবেক ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, দলীয় প্রতীক ছাড়া নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সৎ ভাবমূর্তি, জনসম্পৃক্ততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ—এসব বিষয়ই প্রার্থীদের সাফল্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ইতোমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা দুই ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। তবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের আস্থা কারা অর্জন করতে পারবেন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনী প্রচারণা, জনসমর্থন এবং ভোটের ফলাফলের ওপর।