০২:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এক সপ্তাহ পর ফের উৎপাদনে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট

মোঃ মেহেদী হাসান (বাচ্চু), পটুয়াখালীঃ এক সপ্তাহ পর ফের শুরু হয়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-১ এর বিদ্যুৎ উৎপাদন।

সোমবার বিকাল চারটার দিকে এ ইউনিটটি চালু করা হয়। এ কেন্দ্রটি থেকে এখন পুরো ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর আগে গত ২৪ জুন বিকাল চারটার দিকে রক্ষনাবেক্ষনের জন্য দুটি ইউনিটের মধ্যে একটি ইউনিটের (৬৬০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এ কেন্দ্রের ইউনিট-১ চালু হওয়ায় দক্ষিনাঞ্চলে লোড সেডিং অনেকটা কমতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব।

তিনি আরো জানান, “আমাদের ০৪ জুলাই ইউনিট-১ চালু করার কথা ছিলো। কিন্তু দেশের কথা চিন্তা করে আমাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দিনরাত পরিশ্রম করে সোমবার বিকাল সাড়ে চারটায় ইউনিট-১ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। আমরা বর্তমানে পুরো ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করছি।”

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া গ্রামে ১ হাজার ২ একর জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। এখানে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) যৌথ বিনিয়োগে ২০২০ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে। এতে দেশের বিদ্যুতের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ করে আসছে কেন্দ্রটি।

Tag:

এক সপ্তাহ পর ফের উৎপাদনে পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট

আপডেট সময়: ১২:৩০:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

মোঃ মেহেদী হাসান (বাচ্চু), পটুয়াখালীঃ এক সপ্তাহ পর ফের শুরু হয়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়ার পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-১ এর বিদ্যুৎ উৎপাদন।

সোমবার বিকাল চারটার দিকে এ ইউনিটটি চালু করা হয়। এ কেন্দ্রটি থেকে এখন পুরো ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করা হচ্ছে। এর আগে গত ২৪ জুন বিকাল চারটার দিকে রক্ষনাবেক্ষনের জন্য দুটি ইউনিটের মধ্যে একটি ইউনিটের (৬৬০ মেগাওয়াট) বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ। এ কেন্দ্রের ইউনিট-১ চালু হওয়ায় দক্ষিনাঞ্চলে লোড সেডিং অনেকটা কমতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শাহ আব্দুল হাসিব।

তিনি আরো জানান, “আমাদের ০৪ জুলাই ইউনিট-১ চালু করার কথা ছিলো। কিন্তু দেশের কথা চিন্তা করে আমাদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দিনরাত পরিশ্রম করে সোমবার বিকাল সাড়ে চারটায় ইউনিট-১ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। আমরা বর্তমানে পুরো ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডে সরবরাহ করছি।”

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নের নিশানবাড়িয়া গ্রামে ১ হাজার ২ একর জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। এখানে ৬৬০ মেগাওয়াটের দুটি ইউনিট চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের (বিসিপিসিএল) যৌথ বিনিয়োগে ২০২০ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে। এতে দেশের বিদ্যুতের চাহিদার সিংহভাগ পূরণ করে আসছে কেন্দ্রটি।