০৫:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গাবালীতে ফারহানা ইয়াসমিন শিলার মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রাসেল বয়াতী এসআরবি’র অভিযানে গ্রেপ্তার

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূ ফারহানা ইয়াসমিন শিলা (৪৫)-এর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার এজাহারনামীয় প্রধান অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো. রাসেল মাহমুদ বয়াতীকে (৫১) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এসআরবি-৮, বরিশালের ভোলা ক্যাম্প এবং এসআরবি-১০, ঢাকা সদর কোম্পানির যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ধলেশ্বরী টোল প্লাজার সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রাসেল মাহমুদ বয়াতী পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বাহেরচর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ফরিদ উদ্দিন বয়াতীর ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে ফারহানা ইয়াসমিন শিলার সঙ্গে রাসেল মাহমুদ বয়াতীর বিয়ে হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে শিলাকে নির্যাতন করতেন তাঁর স্বামী। এরই মধ্যে গত ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে শিলার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে রাঙ্গাবালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

এসআরবি জানায়, ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান অভিযুক্ত রাসেল মাহমুদ বয়াতী এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। তবে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এসআরবি-৮ ও এসআরবি-১০-এর যৌথ আভিযানিক দল।

পরবর্তী সময়ে পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী টোল প্লাজার সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর রাসেল মাহমুদ বয়াতীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

ফারহানা ইয়াসমিন শিলার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Tag:
জনপ্রিয়

যৌতুকের টাকা না পেয়ে গৃহবধূর ওপর নৃশংস নি/র্যাত/ন, হাত-পায়ের রগ কে/টে হ/ত্যাচে/ষ্টার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

রাঙ্গাবালীতে ফারহানা ইয়াসমিন শিলার মৃত্যুর ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত রাসেল বয়াতী এসআরবি’র অভিযানে গ্রেপ্তার

আপডেট সময়: ১১:৩২:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূ ফারহানা ইয়াসমিন শিলা (৪৫)-এর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলার এজাহারনামীয় প্রধান অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো. রাসেল মাহমুদ বয়াতীকে (৫১) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। এসআরবি-৮, বরিশালের ভোলা ক্যাম্প এবং এসআরবি-১০, ঢাকা সদর কোম্পানির যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন ধলেশ্বরী টোল প্লাজার সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার রাসেল মাহমুদ বয়াতী পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বাহেরচর এলাকার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ফরিদ উদ্দিন বয়াতীর ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক বছর আগে ফারহানা ইয়াসমিন শিলার সঙ্গে রাসেল মাহমুদ বয়াতীর বিয়ে হয়। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন সময়ে শিলাকে নির্যাতন করতেন তাঁর স্বামী। এরই মধ্যে গত ৩০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ সকাল আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে শিলার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর এই রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে রাঙ্গাবালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

এসআরবি জানায়, ঘটনার পর থেকেই মামলার প্রধান অভিযুক্ত রাসেল মাহমুদ বয়াতী এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান। গ্রেপ্তার এড়াতে তিনি বারবার অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজর এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন। তবে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁর অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এসআরবি-৮ ও এসআরবি-১০-এর যৌথ আভিযানিক দল।

পরবর্তী সময়ে পরিকল্পিত অভিযান পরিচালনা করে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ধলেশ্বরী টোল প্লাজার সামনে থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর রাসেল মাহমুদ বয়াতীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি।

ফারহানা ইয়াসমিন শিলার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং মামলার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।