০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাঙ্গাবালীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে থানায় মা/মলা; পুলিশের অভিযানে গ্রে/ফতার যুবক

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কাউখালী গ্রামে সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া ১৪ বছরের এক মাদরাসাছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় অভিযুক্ত সজল মৃধা (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সজল উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের মো. বাবুল মৃধার ছেলে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর নানি বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানায় মামলা করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নানা বাড়িতে থেকেই সে পড়ালেখা করতো।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সজল বিভিন্ন সময় মাদরাসায় যাতায়াতের পথে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন।

এজাহারে বলা হয়, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে কিশোরী বাড়ির দোতলায় পড়াশোনা করছিল। এ সময় সজল বাড়ির বাইরে থেকে তার মোবাইল ফোনে কল করেন। পরে বাড়ির দরজা খোলা পেয়ে কৌশলে ভেতরে প্রবেশ করে দোতলায় যান। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ করা হয়েছে। এজাহারে ওই রাত থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়।

পরদিন সকালে পরিবারের সদস্যরা দোতলায় গিয়ে সজলকে কিশোরীর সঙ্গে দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীর দাবি, এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে সজল কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলে সজল কিশোরীকে বিয়ে করার কথা বলে কৌশলে সেখান থেকে চলে যান।

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, “এ ঘটনায় শনিবার রাতে রাঙ্গাবালী থানায় মামলা করেন কিশোরীর নানি। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সজলকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।”

পুলিশ জানায়, ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষার পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়াও নেওয়া হবে।

Tag:
জনপ্রিয়

পটুয়াখালীর গলাচিপায় ৩ কিলোমিটার সড়কে হাঁটুপানি কাদা, দুর্ভোগে ২০ হাজার মানুষ; দ্রুত পাকা করনের দাবি

রাঙ্গাবালীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধ/র্ষ/ণের অভিযোগে থানায় মা/মলা; পুলিশের অভিযানে গ্রে/ফতার যুবক

আপডেট সময়: ০৯:০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কাউখালী গ্রামে সপ্তম শ্রেণি পড়ুয়া ১৪ বছরের এক মাদরাসাছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। এ মামলায় অভিযুক্ত সজল মৃধা (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সজল উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামের মো. বাবুল মৃধার ছেলে।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর নানি বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানায় মামলা করেন। মামলার পর অভিযান চালিয়ে সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে রাঙ্গাবালী সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি দাখিল মাদরাসার সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। নানা বাড়িতে থেকেই সে পড়ালেখা করতো।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সজল বিভিন্ন সময় মাদরাসায় যাতায়াতের পথে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন।

এজাহারে বলা হয়, ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে কিশোরী বাড়ির দোতলায় পড়াশোনা করছিল। এ সময় সজল বাড়ির বাইরে থেকে তার মোবাইল ফোনে কল করেন। পরে বাড়ির দরজা খোলা পেয়ে কৌশলে ভেতরে প্রবেশ করে দোতলায় যান। সেখানে কিশোরীকে ধর্ষণ করার অভিযোগ করা হয়েছে। এজাহারে ওই রাত থেকে পরদিন সকাল পর্যন্ত একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ করা হয়।

পরদিন সকালে পরিবারের সদস্যরা দোতলায় গিয়ে সজলকে কিশোরীর সঙ্গে দেখতে পান বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীর দাবি, এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে সজল কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন। পরে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হলে সজল কিশোরীকে বিয়ে করার কথা বলে কৌশলে সেখান থেকে চলে যান।

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াছ হোসেন মুন্সি বলেন, “এ ঘটনায় শনিবার রাতে রাঙ্গাবালী থানায় মামলা করেন কিশোরীর নানি। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সজলকে রাতেই গ্রেপ্তার করা হয়। পরে রোববার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়।”

পুলিশ জানায়, ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষার পাশাপাশি ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়াও নেওয়া হবে।