পটুয়াখালীর গলাচিপায় জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে সৃষ্ট সংঘর্ষে এক নারীসহ ৪ জন আহত হয়েছে।
শুক্রবার বিকাল আনুমানিক সারে তিনটায় উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কলাগাছিয়া গ্রামে ২ নম্বর ওয়াডে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত চার জনকে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপক্ষই একই বাড়ির বাসিন্দা। জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে নূর হোসেন হাওলাদার ও ফারুক হোসেন হাওলাদার এর মধ্যে দীর্ঘদিন যাবত জমির বিরোধ চলছিল। শুক্রবার বিকালে ফারুক হাওলাদার ও সোহেল হাওলাদারের নেতৃত্বে ১৫/২০ জন লাঠিয়াল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে বাড়িতে। এসময় বাঁধা দিলে লাঠিয়ালরা মানিক হাওলাদার (৪০), নুরহোসেন হাওলাদার (৬৫), আমেনা বেগম (৫৫) ও সোহাগ হাওলাদার (১৬) কে পিটিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এ সময়
আহত নূর হোসেন বলেন, “পরস্পর আমরা আত্মীয়। জমি জমা বিরোধের জেরে আমাদেরকে এলোপাথারিভাবে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। আমাদের ডাক-চিৎকারে এলাকাবাসী এসে পড়লে মার ধরকারিরা পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসী আমাদেরকে উদ্ধার করে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।”
আহত সোহাগ বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে জমি জমা বিরোধকে কেন্দ্র করে আমাদেরকে মারধর করেছে। আমরা এর সঠিক বিচার চাই।”
আহত আমেনা বেগম বলেন, “আমার স্বামীকে মারধর করায় আমি ঘটনাস্থলে গেলে আমাকেও মারধর করে।” আহত মানিকের স্ত্রী খালেদা বেগম বলেন, “আমার স্বামীকে জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে অন্যায়ভাবে মারধর করে। আমি সঠিক বিচার চাই।”
প্রতিপক্ষ ফারুক হাওলাদার ও সোহেল হাওলাদার বলেন, “আমরাও আহত হয়েছি। আমাদেরকেও মারধর করেছে। হাসপাতালে আমরাও ভর্তি হয়েছি।”
গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডাক্তার নোমান পারভেজ বলেন, “আমার আজ চারজন রোগী ভর্তি হয়েছে। তারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় আছে। তাদের বিভিন্ন অংশে ফুলা যখন রয়েছে এবং রোগীর শরীরে সেলাই রয়েছে।
গলাচিপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.ইমতিয়াজ আহাম্মেদ বলেন, “লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
সঞ্জিব দাস, গলাচিপা, পটুয়াখালী: 














