১০:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় সাবেক জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলা

জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে খুলনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বর্তমানে তিনি নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ ফজল বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সম্পদ বিবরণীতে এস এম মাহাবুবুর রহমান স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট ২ কোটি ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৫১ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর নামে মোট ৪ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯৬ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, ব্যাংকঋণসহ অন্যান্য দায় বাবদ ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭৪১ টাকা বাদ দেওয়ার পর তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫৫ টাকা।

দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ২ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার ৪১৩ টাকা। এর বিপরীতে পারিবারিক ব্যয় ধরা হয় ৭৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬৫৮ টাকা। ব্যয় বাদে তাঁর নিট আয় বা সঞ্চয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৫ টাকা।

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর নিট সম্পদ ও গ্রহণযোগ্য সঞ্চয়ের মধ্যে ২ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার অসংগতি পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

এ ছাড়া সম্পদ বিবরণীতে ৩০ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬৩ টাকার স্থাবর এবং ১৯ লাখ ২৬ হাজার ৫৫৭ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। গোপন করা সম্পদের মোট মূল্য ৪৯ লাখ ৮৩ হাজার ১২০ টাকা। এ অভিযোগে একই আইনের ২৬(২) ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

Tag:
জনপ্রিয়

পটুয়াখালীর গলাচিপায় লক্ষ্মীপূজার আতশবাজি ফোটাতে গিয়ে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, বিচ্ছিন্ন কিশোরের হাতের পাঁচ আঙুল

খুলনায় সাবেক জেলা পরিষদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আড়াই কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুদকের মামলা

আপডেট সময়: ১০:১২:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ২ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার সম্পদ অর্জন এবং সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ৫০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে খুলনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস এম মাহাবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বর্তমানে তিনি নেত্রকোনা জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. জাহিদ ফজল বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, সম্পদ বিবরণীতে এস এম মাহাবুবুর রহমান স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে মোট ২ কোটি ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার ৯৫১ টাকার সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর নামে মোট ৪ কোটি ২০ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯৬ টাকার সম্পদের তথ্য পাওয়া যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এজাহার অনুযায়ী, ব্যাংকঋণসহ অন্যান্য দায় বাবদ ১৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭৪১ টাকা বাদ দেওয়ার পর তাঁর নিট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৫ লাখ ৩৯ হাজার ৯৫৫ টাকা।

দুদকের অনুসন্ধানে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয় ২ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার ৪১৩ টাকা। এর বিপরীতে পারিবারিক ব্যয় ধরা হয় ৭৭ লাখ ৯৩ হাজার ৬৫৮ টাকা। ব্যয় বাদে তাঁর নিট আয় বা সঞ্চয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ কোটি ৫৩ লাখ ৬৬ হাজার ৭৫৫ টাকা।

দুদকের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর নিট সম্পদ ও গ্রহণযোগ্য সঞ্চয়ের মধ্যে ২ কোটি ৫১ লাখ ৭৩ হাজার ২০০ টাকার অসংগতি পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারায় মামলা করা হয়েছে।

এ ছাড়া সম্পদ বিবরণীতে ৩০ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬৩ টাকার স্থাবর এবং ১৯ লাখ ২৬ হাজার ৫৫৭ টাকার অস্থাবর সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ আনা হয়েছে। গোপন করা সম্পদের মোট মূল্য ৪৯ লাখ ৮৩ হাজার ১২০ টাকা। এ অভিযোগে একই আইনের ২৬(২) ধারায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।