১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বর্ণাঢ্য আয়োজন ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্যে পটুয়াখালীতে পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত

বর্ণাঢ্য আয়োজন ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীতে মহাবতার পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত হয়েছে।

শুক্রবার সকালে শ্রী শ্রী রাধা মাধব জিউঁর মন্দিরে বৈদিক অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মাধ্যমে শুরু হয় উৎসবের মূল অনুষ্ঠানিকতা। এসময় বৈদিক মন্ত্রচ্চারণ করে যজ্ঞের অগ্নিতে ঘি,, শস্যদানা, ফুল ও ফল আহুতি দেন পুরোহিতগণ। দেশের কল্যাণ ও বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে করা হয় বিশেষ প্রার্থনা।

অপরদিকে বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ পটুয়াখালী জেলা শাখার আয়োজনে শহরের সেন্টার পাড়াস্থ হিন্দু সমাজ গৃহে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা শেষে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও বেলুন ফেষ্টুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।

পরে লঞ্চঘাট চত্ত্বর থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। হাজার হাজার সনাতনী ভক্তবৃন্দ এই উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া বিভিন্ন মন্দিরে ভগবানের অভিষেক বিশেষ প্রার্থনা ও বৈদিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

Tag:
জনপ্রিয়

বিশিষ্ট সমাজসেবক মুশফিকুর রহমান মামুন খানের জানাজায় মুসুল্লীদের ঢল; অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় দিলেন সহপাঠীরা

বর্ণাঢ্য আয়োজন ও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর্যে পটুয়াখালীতে পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত

আপডেট সময়: ০৩:০৪:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বর্ণাঢ্য আয়োজন ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীতে মহাবতার পরমেশ্বর ভগবান শ্রী কৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত হয়েছে।

শুক্রবার সকালে শ্রী শ্রী রাধা মাধব জিউঁর মন্দিরে বৈদিক অগ্নিহোত্র যজ্ঞের মাধ্যমে শুরু হয় উৎসবের মূল অনুষ্ঠানিকতা। এসময় বৈদিক মন্ত্রচ্চারণ করে যজ্ঞের অগ্নিতে ঘি,, শস্যদানা, ফুল ও ফল আহুতি দেন পুরোহিতগণ। দেশের কল্যাণ ও বিশ্ব শান্তির উদ্দেশ্যে করা হয় বিশেষ প্রার্থনা।

অপরদিকে বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদ পটুয়াখালী জেলা শাখার আয়োজনে শহরের সেন্টার পাড়াস্থ হিন্দু সমাজ গৃহে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। আলোচনা শেষে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন ও বেলুন ফেষ্টুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করা হয়।

পরে লঞ্চঘাট চত্ত্বর থেকে একটি বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে শহর প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। হাজার হাজার সনাতনী ভক্তবৃন্দ এই উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া বিভিন্ন মন্দিরে ভগবানের অভিষেক বিশেষ প্রার্থনা ও বৈদিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।