০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝালকাঠি পৌরসভা নির্মান করবে বাস টার্মিনাল, পার্ক ও মার্কেট; বরাদ্দ প্রায় ৩৮ কোটি টাকা

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন উপকূলীয় শহর জলবায়ু সহিষ্ণু প্রকল্প (C.T.C.R.P) এর আওতায় ঝালকাঠি পৌরসভায় প্রায় ৩৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল, মাল্টিপারপাস মার্কেট এবং সিটি পার্ক উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের মতামত গ্রহণে একটি নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে ঝালকাঠি পৌরসভার আয়োজনে এ নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক সরদার মো. সাজ্জাদ কবির, উপ-প্রকল্প পরিচালক জুবাইদা আক্তার, মো. শাহজাহান ও উজ্জ্বল ত্রিপুরা জানান, “২০২৩ সালে শুরু হওয়া পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের কার্যক্রম ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পের আওতায় ঝালকাঠি পৌর এলাকায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল, ৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পৌর সিটি পার্কের আধুনিকায়ন এবং পুরোনো টাউন হল ভবন ভেঙে সেখানে ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি মাল্টিপারপাস মার্কেট নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।”

প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী জুনের মধ্যে টেন্ডার সম্পন্ন করে পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে সকল কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে তারা জানান।

নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। তিনি বলেন, “বাস টার্মিনাল, মাল্টিপারপাস মার্কেট ও পার্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রথমেই নাগরিকদের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সার্ভে ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রকল্পের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনগণের চাহিদা ও বাস্তব প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়েই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”

ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিটিসিআরপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সরদার মো. সাজ্জাদ কবির।

এ সময় সিটিসিআরপির উপ-প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ, আর্কিটেক্ট টিম, ডিজাইন ইউনিটের প্রতিনিধিসহ ঝালকাঠি পৌরসভা ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারীরা প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত তুলে ধরেন।

Tag:

ঝালকাঠি পৌরসভা নির্মান করবে বাস টার্মিনাল, পার্ক ও মার্কেট; বরাদ্দ প্রায় ৩৮ কোটি টাকা

আপডেট সময়: ০৪:৪৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন উপকূলীয় শহর জলবায়ু সহিষ্ণু প্রকল্প (C.T.C.R.P) এর আওতায় ঝালকাঠি পৌরসভায় প্রায় ৩৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল, মাল্টিপারপাস মার্কেট এবং সিটি পার্ক উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকদের মতামত গ্রহণে একটি নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে ঝালকাঠি পৌরসভার আয়োজনে এ নাগরিক সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়।

সংলাপ অনুষ্ঠানে প্রকল্প পরিচালক সরদার মো. সাজ্জাদ কবির, উপ-প্রকল্প পরিচালক জুবাইদা আক্তার, মো. শাহজাহান ও উজ্জ্বল ত্রিপুরা জানান, “২০২৩ সালে শুরু হওয়া পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্পের কার্যক্রম ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত চলবে। প্রকল্পের আওতায় ঝালকাঠি পৌর এলাকায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি আধুনিক বাস টার্মিনাল, ৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ে পৌর সিটি পার্কের আধুনিকায়ন এবং পুরোনো টাউন হল ভবন ভেঙে সেখানে ৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি মাল্টিপারপাস মার্কেট নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।”

প্রয়োজনীয় অনুমোদন পাওয়া গেলে আগামী জুনের মধ্যে টেন্ডার সম্পন্ন করে পরবর্তী দুই বছরের মধ্যে সকল কাজ সম্পন্ন করা হবে বলে তারা জানান।

নাগরিক সংলাপে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। তিনি বলেন, “বাস টার্মিনাল, মাল্টিপারপাস মার্কেট ও পার্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রথমেই নাগরিকদের মতামত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় সার্ভে ও কারিগরি মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রকল্পের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। জনগণের চাহিদা ও বাস্তব প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দিয়েই উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।”

ঝালকাঠি পৌরসভার প্রশাসক জুলিয়া সুকায়নার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংলাপে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিটিসিআরপি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক সরদার মো. সাজ্জাদ কবির।

এ সময় সিটিসিআরপির উপ-প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ, আর্কিটেক্ট টিম, ডিজাইন ইউনিটের প্রতিনিধিসহ ঝালকাঠি পৌরসভা ও বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারীরা প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত তুলে ধরেন।