০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গলাচিপায় জরাজীর্ণ অবস্থায় আয়রন ব্রীজ; জনদূর্ভোগ চরমে

মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, গলাচিপা, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ১৫০ নং দক্ষিণ পূর্ব বাশবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খালের উপরে বহুদিনের পুরোনো আয়রন ব্রীজটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে আছে। যে কারনে বিদ্যালয়ে আসতে পারছেনা কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে বহুবার চেষ্টা করেও কোন সুফল পায়নি এমনটিই দাবী করেন স্থানীয় জনগন ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অবিভাবকরা।

এদিকে ব্রীজটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে থাকায় স্থানীয়রা ব্রীজটির পাশেই পারাপরের জন্য বিকল্প একটি বাঁশের সাকো তৈরি করেন। তবে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাদের পারাপার হতে কষ্ট হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় জনগন ও শিশু শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন ব্রীজটি ভাঙা ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে থাকায় দিন দিন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। তবে ব্রীজটি বহুদিন আগে নির্মান হলেও অদ্য পর্যন্ত কোন সংস্কার করা হয়নি। সংস্কারের অভাবে ব্রীজটি আজ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসাবশেষ হয়ে পরে আছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জিডিপির অভাবে কাজ করা হয়নি। তবে রিমেলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাই রিমেলের জন্য নতুন করে জিডিপি চেয়েছে। সেটাতে তারা দিবেন এবং আশা করি কাজটি হয়ে যাবে।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

পটুয়াখালীর-৩ আসন’র গলাচিপা ও দশমিনা উপজেলা বিএনপির দুটি কমিটি স্থগিত

গলাচিপায় জরাজীর্ণ অবস্থায় আয়রন ব্রীজ; জনদূর্ভোগ চরমে

আপডেট সময়: ০৭:০০:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪

মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, গলাচিপা, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ১৫০ নং দক্ষিণ পূর্ব বাশবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খালের উপরে বহুদিনের পুরোনো আয়রন ব্রীজটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে আছে। যে কারনে বিদ্যালয়ে আসতে পারছেনা কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে বহুবার চেষ্টা করেও কোন সুফল পায়নি এমনটিই দাবী করেন স্থানীয় জনগন ও কোমলমতি শিক্ষার্থীদের অবিভাবকরা।

এদিকে ব্রীজটি জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে থাকায় স্থানীয়রা ব্রীজটির পাশেই পারাপরের জন্য বিকল্প একটি বাঁশের সাকো তৈরি করেন। তবে বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও বৃদ্ধাদের পারাপার হতে কষ্ট হচ্ছে বলে জানান স্থানীয় জনগন ও শিশু শিক্ষার্থীরা। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন ব্রীজটি ভাঙা ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পরে থাকায় দিন দিন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কমে যাচ্ছে। তবে ব্রীজটি বহুদিন আগে নির্মান হলেও অদ্য পর্যন্ত কোন সংস্কার করা হয়নি। সংস্কারের অভাবে ব্রীজটি আজ সম্পূর্ণভাবে ধ্বংসাবশেষ হয়ে পরে আছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, জিডিপির অভাবে কাজ করা হয়নি। তবে রিমেলে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তাই রিমেলের জন্য নতুন করে জিডিপি চেয়েছে। সেটাতে তারা দিবেন এবং আশা করি কাজটি হয়ে যাবে।