০১:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে জাতির জনকের জন্মবার্ষিকী উদযাপন না করায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ

মু. হেলাল আহম্মেদ (রিপন) পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৩ নং ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের ঘোপখালী গ্রামের ৩ নং ওয়ার্ডের ঘোপখালী হোসেনিয়া আলিম মাদ্রাসায় অদ্য (১৭ মার্চ) রবিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৪ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২৪ ইং উদযাপন না করায় এলাকাবাসী ও অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সকাল ১০ টায় সরেজমিন অনুসন্ধানে গেলে দেখা মেলে সকল শ্রেনীকক্ষ বন্ধ এবং কোন ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকদের উপস্থিতি ছিলো না।

সরকারি নির্দেশনায় শিক্ষা মন্ত্রানালয় কতৃক গত ১০ ই মার্চ ২৪ ইং প্রেরিত পত্রে মাদ্রাসা প্রধানের উপস্থিতিসহ ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্দেশনা ছিলো। অথচ উক্ত মাদ্রাসার মাওলানা মো. বশির উদ্দিনসহ সকল শিক্ষকবৃন্দ অনুপস্থিত ছিলো এবং ১৭ মার্চ এর কোন অনুষ্ঠান কিংবা কোন কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ছাত্র-ছাত্রীসহ অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

মাদ্রাসায় উপস্থিত নৈশ প্রহরী নুর ইসলাম জানায়, “আজকের অনুষ্ঠানের ব্যপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ভালো বলতে পারবেন। আমরা ছোট চাকুরী করি, আমরা কিছু জানি না।”

উক্ত মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কেন্ডিডেট মো. কামাল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জাতির জনকের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্বেও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কোন খুটির জোরে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে তা বোধগম্য নয়। আমি এবং এলাকাবাসী উক্ত ঘটনার দৃষ্টান্ত মূলক বিচারের দাবী করছি।” মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল হাই বলেন, “সকাল বেলা মাদ্রাসায় শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি না পেয়ে ফিরে এসেছি।”

উপরোক্ত বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা বশির উদ্দিন আহম্মেদ এর মুঠোফোনে কল করলে বন্ধ পাওয়া গেলে, তার বাড়ীতে গেলে তিনি জানান, “আমি অনুষ্ঠান করার জন্য আগেই অন্যান্য শিক্ষকদের নির্দেশনা দিয়েছি। তবে আমার শারীরিক অসুস্থতার কারনে মাদ্রাসায় উপস্থিত থাকতে পারি নাই।”

এদিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১৭ মার্চ জন্মদিন উদযাপন না করায় এলাকাবাসীসহ ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক ও এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

Tag:

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজ ছেলেকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা! শিশুটিকে উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ

পটুয়াখালীতে জাতির জনকের জন্মবার্ষিকী উদযাপন না করায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ

আপডেট সময়: ০৩:৩৮:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪

মু. হেলাল আহম্মেদ (রিপন) পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালী সদর উপজেলার ৩ নং ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের ঘোপখালী গ্রামের ৩ নং ওয়ার্ডের ঘোপখালী হোসেনিয়া আলিম মাদ্রাসায় অদ্য (১৭ মার্চ) রবিবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১০৪ তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস ২৪ ইং উদযাপন না করায় এলাকাবাসী ও অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। সকাল ১০ টায় সরেজমিন অনুসন্ধানে গেলে দেখা মেলে সকল শ্রেনীকক্ষ বন্ধ এবং কোন ছাত্র-ছাত্রী এবং শিক্ষকদের উপস্থিতি ছিলো না।

সরকারি নির্দেশনায় শিক্ষা মন্ত্রানালয় কতৃক গত ১০ ই মার্চ ২৪ ইং প্রেরিত পত্রে মাদ্রাসা প্রধানের উপস্থিতিসহ ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজনের নির্দেশনা ছিলো। অথচ উক্ত মাদ্রাসার মাওলানা মো. বশির উদ্দিনসহ সকল শিক্ষকবৃন্দ অনুপস্থিত ছিলো এবং ১৭ মার্চ এর কোন অনুষ্ঠান কিংবা কোন কার্যক্রম পরিলক্ষিত হয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ছাত্র-ছাত্রীসহ অভিভাবক ও এলাকাবাসী।

মাদ্রাসায় উপস্থিত নৈশ প্রহরী নুর ইসলাম জানায়, “আজকের অনুষ্ঠানের ব্যপারে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ভালো বলতে পারবেন। আমরা ছোট চাকুরী করি, আমরা কিছু জানি না।”

উক্ত মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্র এবং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কেন্ডিডেট মো. কামাল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “জাতির জনকের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপনের সরকারি নির্দেশনা থাকা সত্বেও মাদ্রাসার অধ্যক্ষ কোন খুটির জোরে সরকারি নির্দেশনা উপেক্ষা করে তা বোধগম্য নয়। আমি এবং এলাকাবাসী উক্ত ঘটনার দৃষ্টান্ত মূলক বিচারের দাবী করছি।” মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মাওলানা আব্দুল হাই বলেন, “সকাল বেলা মাদ্রাসায় শিক্ষক এবং ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতি না পেয়ে ফিরে এসেছি।”

উপরোক্ত বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা বশির উদ্দিন আহম্মেদ এর মুঠোফোনে কল করলে বন্ধ পাওয়া গেলে, তার বাড়ীতে গেলে তিনি জানান, “আমি অনুষ্ঠান করার জন্য আগেই অন্যান্য শিক্ষকদের নির্দেশনা দিয়েছি। তবে আমার শারীরিক অসুস্থতার কারনে মাদ্রাসায় উপস্থিত থাকতে পারি নাই।”

এদিকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ১৭ মার্চ জন্মদিন উদযাপন না করায় এলাকাবাসীসহ ছাত্র-ছাত্রী অভিভাবক ও এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।