১২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাগড়াছড়িতে সরকারি অস্ত্র লুটের মামলায় সেই আনসার সদস্যের যাবজ্জীবন

  • জেলা প্রতিনিধি
  • আপডেট সময়: ০৪:০৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০
  • ৪২৯ বার পড়া হয়েছে

খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়িতে সহকর্মীকে হত্যা করে সরকারি অস্ত্র লুটের ঘটনায় অভিযুক্ত আনসার সদস্য রফিকুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে খাগড়াছড়ির জেলা ও দায়রা জজ রেজা মো. আলমগীর হাসানের আদালত এ রায় দেন।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ হত্যার ঘটনায় একই আদালত রফিকুলকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩ জুলাই দীঘিনালা কবাখালী হেডম্যান পাড়া চৌধুরী হিল আনসার পোস্টের ব্যারাকে বাক-বিতণ্ডার একপর্যায়ে আনসার সদস্য রফিকুল ইসলাম নিজের কাছে তাকে সরকারি অস্ত্র দিয়ে নায়েক আমির হোসেনকে গুলি করে। এরপর সরকারি অস্ত্র ও গুলি নিয়ে পোস্ট থেকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরের দিন ল্যান্স নায়েক মো. আক্তার হোসেন বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেন। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রফিকুল ইসলামকে অস্ত্র আইন ১৮৭৮ এর ১৯ এ এবং ১৯ এফ ধারায় অভিযুক্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

অস্ত্র মামলার অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেয় আদালত।

খাগড়াছড়ি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বিধান কানুনগো সন্তুষ্টি প্রকাশ করে জানান, হত্যা মামলায় রফিকুলকে মৃত্যুদণ্ড এবং অস্ত্র মামলায় সর্বশেষ তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

Tag:
জনপ্রিয়

দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি, মির্জাগঞ্জের সুবিদখালী বাজার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নিখিল চন্দ্র, সম্পাদক সুব্রত সাহা

খাগড়াছড়িতে সরকারি অস্ত্র লুটের মামলায় সেই আনসার সদস্যের যাবজ্জীবন

আপডেট সময়: ০৪:০৭:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২০

খাগড়াছড়ি: খাগড়াছড়িতে সহকর্মীকে হত্যা করে সরকারি অস্ত্র লুটের ঘটনায় অভিযুক্ত আনসার সদস্য রফিকুল ইসলামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে খাগড়াছড়ির জেলা ও দায়রা জজ রেজা মো. আলমগীর হাসানের আদালত এ রায় দেন।

এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ হত্যার ঘটনায় একই আদালত রফিকুলকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩ জুলাই দীঘিনালা কবাখালী হেডম্যান পাড়া চৌধুরী হিল আনসার পোস্টের ব্যারাকে বাক-বিতণ্ডার একপর্যায়ে আনসার সদস্য রফিকুল ইসলাম নিজের কাছে তাকে সরকারি অস্ত্র দিয়ে নায়েক আমির হোসেনকে গুলি করে। এরপর সরকারি অস্ত্র ও গুলি নিয়ে পোস্ট থেকে পালিয়ে যায়।

ঘটনার পরের দিন ল্যান্স নায়েক মো. আক্তার হোসেন বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেন। অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রফিকুল ইসলামকে অস্ত্র আইন ১৮৭৮ এর ১৯ এ এবং ১৯ এফ ধারায় অভিযুক্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।

অস্ত্র মামলার অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের খালাস দেয় আদালত।

খাগড়াছড়ি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বিধান কানুনগো সন্তুষ্টি প্রকাশ করে জানান, হত্যা মামলায় রফিকুলকে মৃত্যুদণ্ড এবং অস্ত্র মামলায় সর্বশেষ তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।