১২:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বরগুনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা

রিপন মালী, বরগুনাঃ বরগুনায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষন চেষ্টার মামলা করেছেন এক গৃহবধূ। অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান মিন্টুর আমতলীর হলদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান।

বুধবার (২২ নভেম্বর) বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করা হলে বিচারক মো. মশিউর রহমান খান মামলাটি আমলে নেন এবং পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তাকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর বিকালে হলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ টেপুরা গ্রামের এক গৃহবধূকে বাড়িতে একা পেয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু, তার সহযোগী বাহাদুর, সোহেল ও হানিফ গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে মারধর করে রক্তাত্ব জখম করে।

পরে ওইদিন রাতেই স্বজনরা গৃহবধূকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন এবং চিকিৎসা শেষে বুধবার গৃহবধূ বাদী হয়ে বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত ওই ইউপি চেয়ারম্যানসহ তার তিন সহযোগীর বিরুদ্ধে ধর্ষন চেষ্টার মামলা করেন।

বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. কালাম খান বলেন, আদালতের নির্দেশ এখনো হাতে পাইনি। হাতে পাওয়া গেলে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে।

ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই নারীর স্বামী মাদক বিক্রেতা, মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় তারা এমনটা করছেন।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাখয়াত হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুয়ায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag:

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজ ছেলেকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা! শিশুটিকে উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ

বরগুনায় ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা

আপডেট সময়: ০৫:৪২:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ নভেম্বর ২০২৩

রিপন মালী, বরগুনাঃ বরগুনায় এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষন চেষ্টার মামলা করেছেন এক গৃহবধূ। অভিযুক্ত আসাদুজ্জামান মিন্টুর আমতলীর হলদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান।

বুধবার (২২ নভেম্বর) বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলাটি দায়ের করা হলে বিচারক মো. মশিউর রহমান খান মামলাটি আমলে নেন এবং পুলিশ সুপার কার্যালয়ের পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তাকে আগামী সাত দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ নভেম্বর বিকালে হলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ টেপুরা গ্রামের এক গৃহবধূকে বাড়িতে একা পেয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু, তার সহযোগী বাহাদুর, সোহেল ও হানিফ গৃহবধূকে ধর্ষণের চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়ে মারধর করে রক্তাত্ব জখম করে।

পরে ওইদিন রাতেই স্বজনরা গৃহবধূকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন এবং চিকিৎসা শেষে বুধবার গৃহবধূ বাদী হয়ে বরগুনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্ত ওই ইউপি চেয়ারম্যানসহ তার তিন সহযোগীর বিরুদ্ধে ধর্ষন চেষ্টার মামলা করেন।

বরগুনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের পাবলিক রিলেশন কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক মো. কালাম খান বলেন, আদালতের নির্দেশ এখনো হাতে পাইনি। হাতে পাওয়া গেলে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করা হবে।

ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিন্টু বলেন, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। ওই নারীর স্বামী মাদক বিক্রেতা, মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়ায় তারা এমনটা করছেন।

আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাখয়াত হোসেন বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুয়ায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।