পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার উত্তর পাঙ্গাসিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদ থেকে মুয়াজ্জিন হাফেজ মোঃ সায়েম মৃধা (২১) এর লাশ উদ্ধার করেছে দুমকি থানা পুলিশ।
নিহত সাইমের বড় ভাই মো. হাসান মৃধা ও চাচাতো ভাই মো. মিলন মৃধাসহ স্থানীয়রা জানান, হাফেজ সাইম দুমকি উপজেলার উত্তর পাঙ্গাসিয়া গ্রামের হাওলাদার বাড়ি বায়তুল মামুর জামে মসজিদে দুই বছর ধরে মুয়াজ্জিনের পাশাপাশি ইমামতি করে আসছিলো। ঘটনার দিন শুক্রবার (২৮ আগস্ট) উক্ত মসজিদে মাগরিবের নামাজে ইমামতি করেছিলো।ঐদিনই (শুক্রবার) রাত ৮.৩০ মিনিট এর সময় এশার নামাজের কিছু আগে মসজিদের বারান্দায় শোয়া গলায় রশি পেচানো সাইমকে দেখে স্থানীয়রা স্বজনদের ও পুলিশে খবর দেয়।
খবর পেয়ে দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সেলিম উদ্দীন কয়েকজন পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে মুয়াজ্জিন সাইমের লাশ উদ্ধার করে শনিবার বেলা ১১ টায় লাশের ময়না তদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে নিয়ে আসে।
নিহত সায়েম পটুয়াখালী সদর উপজেলার লাউকাঠী ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের জামুরা গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বার মৃধার ছেলে।
নিহতের বড় ভাই মো. হাসান মৃধা ও চাচাতো ভাই মো. মিলন মৃধা জানান, “শুক্রবার রাত আটটায় আমরা খবর পেয়ে গিয়ে দেখি আমার ভাই সায়েমের মরদেহ মসজিদের বারান্দায় পড়ে আছে। আমাদের ধারণা এটা আত্মহত্যা নয়, হত্যা করা হয়েছে। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিচার চাই।”
দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন জানান, “খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। প্রাথমিকভাবে গলায় ফাঁস দেওয়ার আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালীর মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে, হত্যা নাকি আত্মহত্যা এর সঠিক কারণ জানা যাবে। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।”
জালাল আহমেদ: 











