এ বছর ভারতের গরু ছাড়াই পটুয়াখালী জেলায় কুরবানীর চাহিদা পূরণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পটুয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ হাবিবুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, “জেলায় যে পরিমান পশু আছে তাতে জেলায় আরও একটি কুরবানী সম্ভব। দুগ্ধ উৎপাদনে নারীদের ভূমিকা রয়েছে, তাদেরকে দুগ্ধ উৎপাদনে আরও বেশী করে সম্পৃক্ত করার জন্য সচেতন করতে হবে।”
বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উপলক্ষে সোমবার (০১ জুন) সকাল ১০ টায় পটুয়াখালী জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
“দুগ্ধ উৎপাদনে নারী খামারী, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা” এ প্রতিপাদ্য নিয়ে পটুয়াখালীতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস পালিত হয়েছে। সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সামনে থেকে এক বর্ণাঢ্য র্যালী শুরু করে এলাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।
র্যালী শেষে হ্যাচারিসহ আঞ্চলিক হাঁস প্রজনন খামার প্রশিক্ষণ কক্ষে দিবসের প্রতিপাদ্য “দুগ্ধ উৎপাদনে নারী খামারী, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রানিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. হাবিবুর রহমান।
পটুয়াখালী সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মো. আতিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও সদর ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ শেখ আরিফুর রহমানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় পাওয়ার পয়েন্ট প্রজেন্টারের মাধ্যমে বিশ্ব দুগ্ধ দিবসের উদ্দেশ্য, লক্ষ্য এবং দুধের উপকারিতা- গুনাগুন ও দুগ্ধ উৎপাদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে উপস্থাপন করেন দশমিনা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ শুভেন্দু সরকার।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রতিপাদ্যের উপর আলোচনা করেন জেলা ভেটেরিনারি অফিসার ডাঃ প্রদীপ কুমার বিশ্বাস।। আরও বক্তব্য রাখেন কৃত্রিম প্রজনন টেকনিশিয়ান মো. মনির ও ল্যাবরেটরিস লিঃ এর প্রতিনিধি বখতিয়ার আহমেদ।
র্যালী ও আলোচনা সভায় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ভেটেরিনারি অফিসারগণ, কৃত্রিম প্রজনন টেকনিশিয়ান, ল্যাবরেটরিস প্রতিনিধি ও দুগ্ধ খামারীগন উপস্থিত ছিলেন।
জালাল আহমেদ: 







