০২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শি/শু/দের যৌ/ন নি/পীড়/নের অভিযোগ: মহিপুরে লম্পট ইমামকে গ/ণপি/টুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর আরামখোলা গ্রামে মক্তবে পড়তে আসা কোমলমতি শিশুদের উপর যৌন নিপীড়নের (ধর্ষণ/নির্যাতন) এক চাঞ্চল্যকর ও ন্যাক্কারজনক অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে।

প্রতিদিনের এই ধারাবাহিক নির্যাতনের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই ইমামকে গণধোলাই দিয়ে মহিপুর থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, লতাচাপলী ইউনিয়নের আরামখোলা গ্রামের একটি স্থানীয় মসজিদে প্রতিদিন সকালে শিশুরা কোরআন ও কায়দা শিক্ষা নিতে আসতো। ওই মসজিদের ইমাম দীর্ঘদিন ধরে মক্তবে পড়তে আসা সরল-সোজা শিশুদের ফুসলিয়ে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিদিন কোনো না কোনো শিশুর ওপর পাশবিক ও যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।

সম্প্রতি ভুক্তভোগী শিশুরা বিষয়টি তাদের পরিবারের কাছে খুলে বললে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার (২৩ মে-২০২৬) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা ও অভিভাবকরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত এলাকাবাসী ওই লম্পট ইমামকে আটক করে উত্তম-মধ্যম (মারধর) দেয়।

খবর পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত ইমামকে গণপিটুনির হাত থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে লতাচাপলী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ধর্মীয় শিক্ষার মতো একটি পবিত্র জায়গায় বসে যিনি এমন জঘন্য ও বিকৃত কাজ করতে পারেন, তিনি কোনোভাবেই ইমাম পদের যোগ্য নন। আমরা এই লম্পটের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

মহিপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইমামকে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ বা মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

পটুয়াখালীতে সরকারি খাস জমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

শি/শু/দের যৌ/ন নি/পীড়/নের অভিযোগ: মহিপুরে লম্পট ইমামকে গ/ণপি/টুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ

আপডেট সময়: ০৯:২০:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর আরামখোলা গ্রামে মক্তবে পড়তে আসা কোমলমতি শিশুদের উপর যৌন নিপীড়নের (ধর্ষণ/নির্যাতন) এক চাঞ্চল্যকর ও ন্যাক্কারজনক অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক মসজিদের ইমামের বিরুদ্ধে।

প্রতিদিনের এই ধারাবাহিক নির্যাতনের বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী ওই ইমামকে গণধোলাই দিয়ে মহিপুর থানা পুলিশে সোপর্দ করেছে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, লতাচাপলী ইউনিয়নের আরামখোলা গ্রামের একটি স্থানীয় মসজিদে প্রতিদিন সকালে শিশুরা কোরআন ও কায়দা শিক্ষা নিতে আসতো। ওই মসজিদের ইমাম দীর্ঘদিন ধরে মক্তবে পড়তে আসা সরল-সোজা শিশুদের ফুসলিয়ে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রতিদিন কোনো না কোনো শিশুর ওপর পাশবিক ও যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিল।

সম্প্রতি ভুক্তভোগী শিশুরা বিষয়টি তাদের পরিবারের কাছে খুলে বললে ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। শনিবার (২৩ মে-২০২৬) এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনতা ও অভিভাবকরা চরম ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত এলাকাবাসী ওই লম্পট ইমামকে আটক করে উত্তম-মধ্যম (মারধর) দেয়।

খবর পেয়ে মহিপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং অভিযুক্ত ইমামকে গণপিটুনির হাত থেকে উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে লতাচাপলী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ধর্মীয় শিক্ষার মতো একটি পবিত্র জায়গায় বসে যিনি এমন জঘন্য ও বিকৃত কাজ করতে পারেন, তিনি কোনোভাবেই ইমাম পদের যোগ্য নন। আমরা এই লম্পটের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

মহিপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত ইমামকে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুদের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ বা মামলার প্রস্তুতি চলছে। ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।