০৫:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে ফজরের নামাজে সেজদায় গিয়ে আর উঠলেন না ইমাম, এলাকায় শোকের ছায়া

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ফজরের নামাজের সেজদায় গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আতাউল্লাহ নামে এক ইমাম।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ফজরের নামাজ পড়ার সময় পটুয়াখালী সদর উপজেলার শ্রীরামপুর বাজার জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুম হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ দুমকি উপজেলার দক্ষিণ শ্রীরামপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি মরহুম মাওলানা আব্দুস সালামের একমাত্র ছেলে এবং মাওলানা আঃ করিম এর নাতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ ওই মসজিদের ইমাম খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরেও তিনি ফজরের নামাজের আগে সুন্নত নামাজ আদায় করতে দাঁড়ান। নামাজের একপর্যায়ে সেজদায় যাওয়ার পর তিনি আর মাথা তোলেননি। পরে মুসল্লিরা তাকে সেখানেই মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

মরহুম হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহর চাচা মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, “আতাউল্লাহ তার বাবার একমাত্র ছেলে ছিলেন। তার দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। পরিবারের জন্য তিনি ছিলেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। এত অল্প বয়সে এভাবে চলে যাওয়ায় আমরা সবাই ভেঙে পড়েছি।”

উল্লেখ্য, সোমবার জোহরের নামাজের পর পটুয়াখালী সদর উপজেলার শ্রীরামপুর বাজার মসজিদের সামনে আতাউল্লাহর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে আসরের নামাজের পর তার নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

Tag:

পটুয়াখালীতে ফজরের নামাজে সেজদায় গিয়ে আর উঠলেন না ইমাম, এলাকায় শোকের ছায়া

আপডেট সময়: ০৩:১১:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় ফজরের নামাজের সেজদায় গিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আতাউল্লাহ নামে এক ইমাম।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ফজরের নামাজ পড়ার সময় পটুয়াখালী সদর উপজেলার শ্রীরামপুর বাজার জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুম হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ দুমকি উপজেলার দক্ষিণ শ্রীরামপুর ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি মরহুম মাওলানা আব্দুস সালামের একমাত্র ছেলে এবং মাওলানা আঃ করিম এর নাতি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহ ওই মসজিদের ইমাম খতিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। প্রতিদিনের মতো সোমবার ভোরেও তিনি ফজরের নামাজের আগে সুন্নত নামাজ আদায় করতে দাঁড়ান। নামাজের একপর্যায়ে সেজদায় যাওয়ার পর তিনি আর মাথা তোলেননি। পরে মুসল্লিরা তাকে সেখানেই মৃত অবস্থায় দেখতে পান।

মরহুম হাফেজ মাওলানা আতাউল্লাহর চাচা মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, “আতাউল্লাহ তার বাবার একমাত্র ছেলে ছিলেন। তার দুটি ছোট সন্তান রয়েছে। পরিবারের জন্য তিনি ছিলেন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। এত অল্প বয়সে এভাবে চলে যাওয়ায় আমরা সবাই ভেঙে পড়েছি।”

উল্লেখ্য, সোমবার জোহরের নামাজের পর পটুয়াখালী সদর উপজেলার শ্রীরামপুর বাজার মসজিদের সামনে আতাউল্লাহর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে আসরের নামাজের পর তার নিজ বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।