বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ জেলেদের পরিবার এবং উদ্ধার হওয়া জেলেদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে উদ্ধার হওয়া জেলেদের উন্নত চিকিৎসার জন্য সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
উদ্ধার হওয়া ৫ জেলে ও নিখোঁজ ৬ জেলে পরিবারকে আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক।
মঙ্গলবার দুপুরে গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের এসব পরিবারকে নগদ ৭ হাজার ৫শ টাকা এবং শুকনো খাবার সহায়তা হিসেবে প্রদান করা হয়।
গলাচিপা উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার পানপট্টি ইউনিয়নের এমাদুল সিকদারের ট্রলার নিয়ে ১১ জেলে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। ঝড়ের কবলে মাছ ধরার ট্রলারটি ডুবে যায়। সেখান থেকে ৫জেলে বেঁচে ফিরলেও এখন নিখোঁজ রয়েছেন ৬ জেলে।
নিখোঁজ ৬ জন জেলেরা হলেন, গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের দক্ষিণ পানপট্টির মৃত গেদু হাওলাদারে ছেলে মো. হারুন হাওলাদার, পানপট্টি গ্রামের মো. এমাদুল, গজালিয়া ইউনিয়নের ইচাদী গ্রামের মো. ফোরকান. মো. সায়েম ও মো. আল আমিন ও গলাচিপা সদর ইউনিয়নের পক্ষিয়া গ্রামের মো. আকাশ।
নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধার করতে পরিবারের লোকজন ভিন্ন আরেকটি ট্রলার নিয়ে গভীর সমুদ্রে রওনা করে গেছেন। নিখোঁজ জেলে পরিবার এখন বাক শূণ্য হয়ে গেছে।
এদিকে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধার তৎপরতা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালযয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক এমপি। ইতিমধ্যে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে গভীর সমুদ্রে ট্রলার ডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ও উদ্ধারকৃতদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ খবর ও আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেন গলাচিপা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক ও প্রতিমন্ত্রীর গলাচিপা-দশমিনা প্রতিনিধি আবু নাঈম, গণঅধিকার পরিষদের গলাচিপা উপজেলা আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান, গলাচিপা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুন্নবী, উপজেলা এলজিইডি ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা যুব অধিকার পরিষদ এর সাবেক আহ্বায়ক রাসেল প্যাদা, আবুল হোসেন ও উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি আরিফ বিল্লাহ প্রমুখ।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “আমরা নিয়মিত কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগ রাখছি। উদ্ধার কার্যক্রম চলমান আছে। আমরা বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। উদ্ধার হওয়া আহত জেলেদের গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।”
সাউথ বিডি নিউজ ২৪ ডেস্ক: 













