র্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই খুন, ধর্ষন, ডাকাতি, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, মজুতদারি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িতদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। গোয়েন্দা নজরদারী ও আভিযানিক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে র্যাব ইতিমধ্যেই বিশেষ সফলতা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায়, র্যাব-৮, সিপিসি-১, পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র্যাব-৭, সদর কোম্পানী, চট্টগ্রাম এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৪ জুলাই ২০২৬ ইং তারিখ রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানাধীন ৪১ নং ওয়ার্ড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে পটুয়াখালী জেলার সদর থানার চাঞ্চল্যকর রিপন হত্যা মামলার অভিযুক্ত ১। মোঃ রাসেল কাজী (৩২), পিতা- মোঃ বাদশা কাজী ২। মোঃ সোহাগ কাজী (৪২), পিতা- মোঃ ফিরোজ কাজী, উভয় সাং-কালিবাড়ী, থানা- আমতলী, জেলা- বরগুনাদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
মামলার এজাহারের বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও অভিযুক্তগণ পরস্পর আত্মীয়। বাদীর ছেলে ভিকটিম রিপন কাজী কৃষি কাজ করে। বাদীর স্বামী একাধিক বিয়ে করে নিজ নামীয় জায়গা জমি অভিযুক্তদের কাছে বিক্রয় করে। ভিকটিম রিপন কাজী উক্ত কাজে বাঁধা প্রদান করলে অভিযুক্তরা তার সাথে শত্রুতা পোষণ করে আসছিলো। গত ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পূর্ব হতে ওৎ পেতে থাকা ভিকটিমের অভিযুক্তরা একত্রিত হয়ে একে অপরের সহযোগীতায় ভিকটিমকে দেশীয় অস্ত্র দ্বারা আঘাত করে মারাত্বক রক্তাক্ত জখম করে। ভিকটিমের ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে ভিকটিমকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার ভিকটিমকে মৃত ঘোষনা করেন। উক্ত ঘটনায় গত ০২ জুলাই ২০২৬ তারিখ ভিকটিমের মা বাদী হয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
উল্লেখ্য যে, চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর থেকেই র্যাব-৮, ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র্যাব-৮, বরিশাল সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অপরাধীদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয় বলে জানিয়েছেন মোঃ কামরুজ্জামান, পিপিএম- সেবা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, মিডিয়া অফিসার, র্যাব-৮, বরিশাল।
সাউথ বিডি নিউজ ২৪ ডেস্ক: 











