০৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গলাচিপায় তিন নবজাতকের দুধের খরচ মেটাতে দিশেহারা অটোচালক বাবা

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় একসঙ্গে জন্ম নেওয়া তিন নবজাতকের লালন-পালনের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বল্প আয়ের এক অটোচালক বাবা। তিন সন্তান হাসান, হোসেন ও মিমের জন্মের আনন্দের মধ্যেও এখন তাদের দুধ ও অন্যান্য খরচ মেটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন রাসেল মোল্লা নামের ওই ব্যক্তি।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা রাসেল মোল্লা অটো চালিয়েই তার পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করেন। আগে তার স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানকে নিয়ে কোনোভাবে সংসার চললেও গত ২ মার্চ একসঙ্গে তিন নবজাতক আসার পর তাদের পারিবারিক ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

রাসেল মোল্লা বলেন, বর্তমানে নবজাতক শিশুদের জন্য শুধু কৌটার দুধ কিনতেই মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকার প্রয়োজন হচ্ছে, যা তার পক্ষে কোনোভাবেই বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে তিনি নিয়মিত অটো চার্জ দিতে পারেন না। ফলে অনেক দিন তার আয়ও পুরোপুরি বন্ধ থাকে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে সন্তানদের খাবার ও চিকিৎসার খরচ মেটাতে বর্তমানে ধার-দেনার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাসেল খুবই পরিশ্রমী মানুষ। তবে একসঙ্গে তিন নবজাতকের সব ধরনের ব্যয় বহন করা তার মতো একজন স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য অত্যন্ত কঠিন। তারা এই অসহায় পরিবারটির জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। পরিবারটিও বর্তমানে সমাজের বিত্তবান মানুষ ও বিভিন্ন মানবিক সংগঠনের সহযোগিতার প্রত্যাশা করছে।

Tag:

দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে আগাম প্রস্তুতিতে গলাচিপায় ‘কেয়ার অ্যালার্ট ফেজ-২’ প্রকল্পের ইউনিয়ন পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত

গলাচিপায় তিন নবজাতকের দুধের খরচ মেটাতে দিশেহারা অটোচালক বাবা

আপডেট সময়: ০১:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় একসঙ্গে জন্ম নেওয়া তিন নবজাতকের লালন-পালনের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন স্বল্প আয়ের এক অটোচালক বাবা। তিন সন্তান হাসান, হোসেন ও মিমের জন্মের আনন্দের মধ্যেও এখন তাদের দুধ ও অন্যান্য খরচ মেটাতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন রাসেল মোল্লা নামের ওই ব্যক্তি।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গলাচিপা উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের বাসিন্দা রাসেল মোল্লা অটো চালিয়েই তার পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করেন। আগে তার স্ত্রী ও পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাসন্তানকে নিয়ে কোনোভাবে সংসার চললেও গত ২ মার্চ একসঙ্গে তিন নবজাতক আসার পর তাদের পারিবারিক ব্যয় কয়েকগুণ বেড়ে গেছে।

রাসেল মোল্লা বলেন, বর্তমানে নবজাতক শিশুদের জন্য শুধু কৌটার দুধ কিনতেই মাসে প্রায় ৩০ হাজার টাকার প্রয়োজন হচ্ছে, যা তার পক্ষে কোনোভাবেই বহন করা সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি আরও বলেন, এলাকায় ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে তিনি নিয়মিত অটো চার্জ দিতে পারেন না। ফলে অনেক দিন তার আয়ও পুরোপুরি বন্ধ থাকে। এই কঠিন পরিস্থিতিতে সন্তানদের খাবার ও চিকিৎসার খরচ মেটাতে বর্তমানে ধার-দেনার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে তাকে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাসেল খুবই পরিশ্রমী মানুষ। তবে একসঙ্গে তিন নবজাতকের সব ধরনের ব্যয় বহন করা তার মতো একজন স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য অত্যন্ত কঠিন। তারা এই অসহায় পরিবারটির জন্য সরকারি ও বেসরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন। পরিবারটিও বর্তমানে সমাজের বিত্তবান মানুষ ও বিভিন্ন মানবিক সংগঠনের সহযোগিতার প্রত্যাশা করছে।