০২:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তালতলীর চাঞ্চল্যকর যৌতুকের দাবিতে স্বামীর হাতে স্ত্রী হ*ত্যার পর ঝু*লিয়ে রাখার ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত র‍্যাব-৮ কর্তৃক গ্রে*ফতার

বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র‌্যাব জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‍্যাব-৭, সিপিসি-১, ফেনী ক্যাম্প এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ মার্চ ২০২৬ইং তারিখ চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বরগুনা জেলার তালতলী থানার চাঞ্চল্যকর যৌতুকের দাবিতে স্বামীর হাতে স্ত্রী হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তদ্বয় ১। মোঃ ফরহাদ পহলান (৩০) পিতা-মোঃ আঃ রব পহলান ২। আঃ রব পহলান (৬০) পিতা-মৃত অহেদ পহলান উভয়ের সাং-পশ্চিম অংকুজানপাড়া, থানা-তালতলী, জেলা-বরগুনা’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বাদী (ভিকটিমের পিতা) মেয়ের বিয়ের পর হতেই তার জামাই ভিকটিম এর নিকট হতে ৩,০০০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা দাবী করলে মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে স্বর্ণালংকারসহ ২,০০০০০/- (দু্ই লক্ষ) টাকা এবং ৩টি গরু ক্রয় করে দেয়। পরবর্তীতে বিবাদীকে বিদেশে যাওয়ার জন্য ৩,০০০০০/- টাকা দিয়ে বিদেশে পাঠালে বিদেশে কাজকর্ম না করে দেশে ফেরত এসে ভিকটিমের নিকট পুনরায় ২,০০০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা দাবীসহ শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে। ইং ০৬/০৩/২০২৬ তারিখ দিবাগত রাত অনুমান ১২.০০ ঘটিকায় বিবাদী (মেয়ের জামাই) তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৯১৩০২১৬৮৫ হতে বাদীর ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭৫১৬০৯৭১৮-তে ফোন দিয়ে জানায় ভিকটিম আছিয়া গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে মারা গেছে।

পরবর্তীতে বাদী তার জামাই বাড়ীতে এসে দেখতে পান ভিকটিমকে বিবাদীর ঘরের বারান্দার ভিকটিমের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নসহ খাটের উপর শুয়ানো অবস্থায় দেখতে পায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে তালতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, গত ইং ০৬/০৩/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১২.০০ ঘটিকায় হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র‌্যাব-৮ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮ এর চৌকস আভিযানিক দল তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্তদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ।

Tag:
জনপ্রিয়

দশমিনায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শান্তিপূর্ণভাবে দুই গ্রুপের পৃথক মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত

তালতলীর চাঞ্চল্যকর যৌতুকের দাবিতে স্বামীর হাতে স্ত্রী হ*ত্যার পর ঝু*লিয়ে রাখার ঘটনায় প্রধান দুই অভিযুক্ত র‍্যাব-৮ কর্তৃক গ্রে*ফতার

আপডেট সময়: ১০:৪৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

বিভিন্ন সময়ে সংঘটিত চাঞ্চল্যকর অপরাধে জড়িত অপরাধীদের আইনের আওতায় এনে র‌্যাব জনগণের সুনাম অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প এবং র‍্যাব-৭, সিপিসি-১, ফেনী ক্যাম্প এর যৌথ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৪ মার্চ ২০২৬ইং তারিখ চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বরগুনা জেলার তালতলী থানার চাঞ্চল্যকর যৌতুকের দাবিতে স্বামীর হাতে স্ত্রী হত্যার পর ঝুলিয়ে রাখার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্তদ্বয় ১। মোঃ ফরহাদ পহলান (৩০) পিতা-মোঃ আঃ রব পহলান ২। আঃ রব পহলান (৬০) পিতা-মৃত অহেদ পহলান উভয়ের সাং-পশ্চিম অংকুজানপাড়া, থানা-তালতলী, জেলা-বরগুনা’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, বাদী (ভিকটিমের পিতা) মেয়ের বিয়ের পর হতেই তার জামাই ভিকটিম এর নিকট হতে ৩,০০০০০/- (তিন লক্ষ) টাকা দাবী করলে মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে স্বর্ণালংকারসহ ২,০০০০০/- (দু্ই লক্ষ) টাকা এবং ৩টি গরু ক্রয় করে দেয়। পরবর্তীতে বিবাদীকে বিদেশে যাওয়ার জন্য ৩,০০০০০/- টাকা দিয়ে বিদেশে পাঠালে বিদেশে কাজকর্ম না করে দেশে ফেরত এসে ভিকটিমের নিকট পুনরায় ২,০০০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা দাবীসহ শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে। ইং ০৬/০৩/২০২৬ তারিখ দিবাগত রাত অনুমান ১২.০০ ঘটিকায় বিবাদী (মেয়ের জামাই) তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর ০১৯১৩০২১৬৮৫ হতে বাদীর ব্যবহৃত মোবাইল ০১৭৫১৬০৯৭১৮-তে ফোন দিয়ে জানায় ভিকটিম আছিয়া গলায় ওড়না দিয়ে ফাঁস দিয়ে মারা গেছে।

পরবর্তীতে বাদী তার জামাই বাড়ীতে এসে দেখতে পান ভিকটিমকে বিবাদীর ঘরের বারান্দার ভিকটিমের গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্নসহ খাটের উপর শুয়ানো অবস্থায় দেখতে পায়। এই ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে তালতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

উল্লেখ্য, গত ইং ০৬/০৩/২০২৬ তারিখ রাত অনুমান ১২.০০ ঘটিকায় হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই র‌্যাব-৮ ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে। অপরাধীরা অত্যন্ত চতুরতার সাথে এলাকা ত্যাগ করে আত্মগোপনে চলে যায় এবং তাদের অবস্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু র‌্যাব-৮ এর চৌকস আভিযানিক দল তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে অভিযুক্তদ্বয়কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত অভিযুক্তদ্বয়কে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য চট্টগ্রাম জেলার জোরারগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্কোয়াড্রন লিডার রাশেদ।