১২:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পাওনা চাইতে গিয়ে শ্বশুরের কোদালের আ*ঘা*তে জামাই খু*ন, শ্যালক আটক

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোটবিঘাই ইউনিয়নের হরতকি বাড়িয়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বশুরের কোদালের আঘাতে জামাই অভিনাশ চন্দ্র দাস (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৯টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত অভিনাশ চন্দ্র দাস সদর উপজেলার ঢেউখালি গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে অভিনাশ শ্বশুরবাড়িতে কিছু নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার জমা রাখেন। সোমবার দিন বিকেল ৫টার দিকে স্ত্রী মনিকা দাসকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সেই অর্থ ও গহনা ফেরত চান। এ সময় শ্বশুর শান্তি দাস, শ্যালক হৃদয় দাস ও স্ত্রীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে শ্বশুর ও শ্যালক কোদাল দিয়ে অভিনাশের মাথায় আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ঘটনার পরপরই শ্বশুর শান্তি দাস, শ্যালক হৃদয় দাস ও স্ত্রী মনিকা দাসসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছে।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তবে ওই জামাইয়ের এক শ্যালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।”

Tag:

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজ ছেলেকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা! শিশুটিকে উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ

পাওনা চাইতে গিয়ে শ্বশুরের কোদালের আ*ঘা*তে জামাই খু*ন, শ্যালক আটক

আপডেট সময়: ০৩:৫৬:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

এম জাফরান হারুন, পটুয়াখালী: পটুয়াখালী সদর উপজেলার ছোটবিঘাই ইউনিয়নের হরতকি বাড়িয়া গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে শ্বশুরের কোদালের আঘাতে জামাই অভিনাশ চন্দ্র দাস (২৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাত ৯টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত অভিনাশ চন্দ্র দাস সদর উপজেলার ঢেউখালি গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে অভিনাশ শ্বশুরবাড়িতে কিছু নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার জমা রাখেন। সোমবার দিন বিকেল ৫টার দিকে স্ত্রী মনিকা দাসকে সঙ্গে নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে সেই অর্থ ও গহনা ফেরত চান। এ সময় শ্বশুর শান্তি দাস, শ্যালক হৃদয় দাস ও স্ত্রীর সঙ্গে তার বাগবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে শ্বশুর ও শ্যালক কোদাল দিয়ে অভিনাশের মাথায় আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

ঘটনার পরপরই শ্বশুর শান্তি দাস, শ্যালক হৃদয় দাস ও স্ত্রী মনিকা দাসসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পটুয়াখালী মর্গে পাঠিয়েছে।

পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, “ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তবে ওই জামাইয়ের এক শ্যালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে।”