১২:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গলাচিপায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ৩৮ বছর পর গ্রে*ফতার

মাজহারুল ইসলাম মলি, গলাচিপা, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর গলাচিপায় আলোচিত দেবু শিকারী হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মো. হারুন হাওলাদার (৬৫) দীর্ঘ চার দশক পর অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার লালবাগের রোকেয়া কুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে গলাচিপা থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদুর রহমান।

থানা সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৮ সালের জুন মাসে ডাকুয়া ইউনিয়নের চত্রা গ্রামে দেবন্দ্র শিকারী ওরফে দেবুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতের মেয়ে কল্পনা শিকারী ওই বছরের ১৭ জুন গলাচিপা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত একই গ্রামের ছত্তার হাওলাদারের ছেলে হারুন হাওলাদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

গ্রেপ্তারের পর হারুন সাংবাদিকদের বলেন, দেবু শিকারীর বাড়িতে নানান অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলত। এসবের প্রতিবাদ করায় তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, মামলার তিন আসামীর মধ্যে তিনিই একমাত্র জীবিত আছেন।

গলাচিপা থানার ওসি আশাদুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ অনুসন্ধান ও অভিযানের পর অবশেষে ৩৮ বছর পর সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে হারুন হাওলাদারকে আদালতের মাধ্যমে পটুয়াখালী কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

Tag:

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজ ছেলেকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা! শিশুটিকে উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ

গলাচিপায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী ৩৮ বছর পর গ্রে*ফতার

আপডেট সময়: ০১:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মাজহারুল ইসলাম মলি, গলাচিপা, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর গলাচিপায় আলোচিত দেবু শিকারী হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী মো. হারুন হাওলাদার (৬৫) দীর্ঘ চার দশক পর অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছেন। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার লালবাগের রোকেয়া কুঞ্জ কমিউনিটি সেন্টারে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে গলাচিপা থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদুর রহমান।

থানা সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৮ সালের জুন মাসে ডাকুয়া ইউনিয়নের চত্রা গ্রামে দেবন্দ্র শিকারী ওরফে দেবুকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহতের মেয়ে কল্পনা শিকারী ওই বছরের ১৭ জুন গলাচিপা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত একই গ্রামের ছত্তার হাওলাদারের ছেলে হারুন হাওলাদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এরপর থেকেই তিনি পলাতক ছিলেন।

গ্রেপ্তারের পর হারুন সাংবাদিকদের বলেন, দেবু শিকারীর বাড়িতে নানান অসামাজিক কর্মকাণ্ড চলত। এসবের প্রতিবাদ করায় তাকে এ মামলায় জড়ানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, মামলার তিন আসামীর মধ্যে তিনিই একমাত্র জীবিত আছেন।

গলাচিপা থানার ওসি আশাদুর রহমান জানান, আদালতের নির্দেশে দীর্ঘ অনুসন্ধান ও অভিযানের পর অবশেষে ৩৮ বছর পর সাজাপ্রাপ্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে হারুন হাওলাদারকে আদালতের মাধ্যমে পটুয়াখালী কারাগারে প্রেরণ করা হয়।