০৯:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে দু*র্ধর্ষ ডা*কাতি করে পালানোর সময় জনতার গ*ণপি*টুনিতে নিহ*ত-১, আহ*ত-১

এম জাফরান হারুন, বাউফল, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর বাউফলে ডাকাতির পর পালাতে গিয়ে স্থানীয় জনতার পিটুনিতে এক ডাকাত নিহত ও এক ডাকাত আহত হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত গভীর রাত সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ডাকাতের নাম মো. উজ্জল মোল্লা (৩২)। তিনি কনকদিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ফারুক মোল্লার ছেলে। আর আহত অন্য ডাকাত মো. রাজিব হোসেন (৩০)। তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলার আন্দুয়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. ছত্তার জোমাদ্দার।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গভীর রাতে একদল ডাকাত আদাবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা খলিল হাওলাদার ও আজহার জমাদ্দারের বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় ডাকাতেরা বাসার লোকজনকে মারধর করে দেশিও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ১০ লাখ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। ডাকাতদের হামলায় বাড়ির লোকজন আহত হন। চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যান। এ সময় দুজনকে আটক করে পিটুনি দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এবিষয়ে বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান সরকার বলেন, “ডাকাতির অভিযোগে আটক দুজনকে স্থানীয় লোকজন পিটুনি দেয়। পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেছেন।”

Tag:

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে এনসিডি কর্ণার উদ্বোধন করলেন জিয়াউদ্দিন হায়দার; উন্নত স্বাস্থ্যসেবার প্রত্যাশা

বাউফলে দু*র্ধর্ষ ডা*কাতি করে পালানোর সময় জনতার গ*ণপি*টুনিতে নিহ*ত-১, আহ*ত-১

আপডেট সময়: ০৭:২৬:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৫

এম জাফরান হারুন, বাউফল, পটুয়াখালী: পটুয়াখালীর বাউফলে ডাকাতির পর পালাতে গিয়ে স্থানীয় জনতার পিটুনিতে এক ডাকাত নিহত ও এক ডাকাত আহত হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) দিবাগত গভীর রাত সাড়ে ৩ টার দিকে উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়নের কাশিপুর বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ডাকাতের নাম মো. উজ্জল মোল্লা (৩২)। তিনি কনকদিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো. ফারুক মোল্লার ছেলে। আর আহত অন্য ডাকাত মো. রাজিব হোসেন (৩০)। তিনি মির্জাগঞ্জ উপজেলার আন্দুয়া গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. ছত্তার জোমাদ্দার।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গভীর রাতে একদল ডাকাত আদাবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা খলিল হাওলাদার ও আজহার জমাদ্দারের বাড়িতে হানা দেয়। এ সময় ডাকাতেরা বাসার লোকজনকে মারধর করে দেশিও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রায় ১০ লাখ টাকা ও বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। ডাকাতদের হামলায় বাড়ির লোকজন আহত হন। চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যান। এ সময় দুজনকে আটক করে পিটুনি দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেন।

এবিষয়ে বাউফল থানার ওসি মোহাম্মদ আকতারুজ্জামান সরকার বলেন, “ডাকাতির অভিযোগে আটক দুজনকে স্থানীয় লোকজন পিটুনি দেয়। পুলিশ তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়। চিকিৎসক একজনকে মৃত ঘোষণা করেছেন।”