০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈগল-৫ লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে পরে যাওয়া বাউফলের যাত্রীর লা*শ উদ্ধার

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ লঞ্চ থেকে নদীতে পরে যাওয়ার ৪দিন পরে আবুল কালাম আজাদ মৃধা (৫২) নামের যাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে চাঁদপুরের মেঘনা নদীর বালুর চর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় জেলেদের মাধ্যমে খবর পেয়ে মৃতের একমাত্র ছেলেসহ পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থানে গিয়ে লাশ উদ্বার করে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে , গত ৭ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে আবুল কালাম আজাদ বাউফলের কালাইয়া টু ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ঈগল-৫ লঞ্চে যাওয়ার পথে লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে পরে যান। আবুল কালামের বাড়ি উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কপুরকাঠি গ্রামে। তার বাবার নাম হাসেম মৃধা। তিনি চট্রগ্রামে একটি প্রিন্টিং হাইজে ম্যানেজার হিসেবে চাকুরী করতেন।

নিখোঁজ আবুল কালাম আজাদের একমাত্র ছেলে তাওসিফ হোসেন জানান, তার বাবা সোমবার (৭ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা হয়ে চট্রগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্য কালাইয়া লঞ্চঘাট থেকে ঈগল-৫ নামের একটি যাত্রীবাহী দোতালা লঞ্চে উঠেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি লঞ্চের কার্নিশের পাশে অবস্থান করার সময়ে চাঁদপুর জেলার নীলকমল উপজেলার মাঝের চর পয়েন্টে মেঘনা নদীতে পরে যান। এরপর চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অনুসন্ধান কাজ চালিয়েও তার হদিস করতে পারেননি। এ ঘটনার ৪দিন পর জেলেদের মাধ্যমে খবর পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করেন। লাশের অর্ধেক বালুর মধ্যে চাপা পরা ছিল।

Tag:
জনপ্রিয়

দশমিনায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শান্তিপূর্ণভাবে দুই গ্রুপের পৃথক মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত

ঈগল-৫ লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে পরে যাওয়া বাউফলের যাত্রীর লা*শ উদ্ধার

আপডেট সময়: ০৯:০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল ২০২৫

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ লঞ্চ থেকে নদীতে পরে যাওয়ার ৪দিন পরে আবুল কালাম আজাদ মৃধা (৫২) নামের যাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে চাঁদপুরের মেঘনা নদীর বালুর চর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয় জেলেদের মাধ্যমে খবর পেয়ে মৃতের একমাত্র ছেলেসহ পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থানে গিয়ে লাশ উদ্বার করে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে , গত ৭ এপ্রিল রাত সাড়ে ১১টার দিকে আবুল কালাম আজাদ বাউফলের কালাইয়া টু ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ঈগল-৫ লঞ্চে যাওয়ার পথে লঞ্চ থেকে মেঘনা নদীতে পরে যান। আবুল কালামের বাড়ি উপজেলার কালাইয়া ইউনিয়নের কপুরকাঠি গ্রামে। তার বাবার নাম হাসেম মৃধা। তিনি চট্রগ্রামে একটি প্রিন্টিং হাইজে ম্যানেজার হিসেবে চাকুরী করতেন।

নিখোঁজ আবুল কালাম আজাদের একমাত্র ছেলে তাওসিফ হোসেন জানান, তার বাবা সোমবার (৭ এপ্রিল) বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা হয়ে চট্রগ্রাম যাওয়ার উদ্দেশ্য কালাইয়া লঞ্চঘাট থেকে ঈগল-৫ নামের একটি যাত্রীবাহী দোতালা লঞ্চে উঠেন। রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি লঞ্চের কার্নিশের পাশে অবস্থান করার সময়ে চাঁদপুর জেলার নীলকমল উপজেলার মাঝের চর পয়েন্টে মেঘনা নদীতে পরে যান। এরপর চাঁদপুর ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে অনুসন্ধান কাজ চালিয়েও তার হদিস করতে পারেননি। এ ঘটনার ৪দিন পর জেলেদের মাধ্যমে খবর পেয়ে তার লাশ উদ্ধার করেন। লাশের অর্ধেক বালুর মধ্যে চাপা পরা ছিল।