০৬:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাউফলে মসজিদ থেকে গলায় গামছা প্যাঁ*চা*নো লা*শ উদ্ধার

মুঃ মুজিবুর রহমান, বাউফল, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর বাউফলে মসজিদ থেকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় মো. আসাদুল রাঢ়ী (৫০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার কেশবপুর গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির মসজিদ থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। আসাদুল ওই গ্রামের মজিদ রাঢ়ীর ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা যাওয়ার কথা বলে আসাদুল রাঢ়ী তার ভাই বাবুল রাঢ়ীর কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। সারাদিনে তিনি আর বাড়ি ফিরেননি। রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বাড়ির সামনের মজসিদে ঢুকেন। তখন মসজিদের ইমাম জিজ্ঞাসা করলে তিনি (আসাদুল) জানান নামাজ পড়ে চলে যাবেন। কিছু সময় পর ইমাম বাড়িতে চলে যান। ভোর রাতে আসাদুলের চাচাতো ভাই দুলাল রাঢ়ী ফজরের আযান দিতে মসজিদে আসলে তাকে (আসাদুল) মসজিদের ব্যবহৃত গামছা গলায় প্যাঁচানো মৃত অবস্থায় বসা দেখে চিৎকার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

আসাদুলের ভাই বাবুল রাঢ়ী জানান, “আমার ভাইর স্ত্রী সন্তান তার সাথে থাকে না। তারা ঢাকাতে থাকে। প্রায় ১ বছর ধরে আসাদুল বাড়িতে থাকছেন। গতকাল ঢাকা যাবেন বলে বাড়ি থেকে বের হয় সে। সকালে তার লাশ মসজিদে পাওয়া যায়। আত্মহত্যা করেছে নাকি অন্য কোনো ঘটনা আছে তা বলতে পারছি না।”

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। সঠিক কারণ জানার জন্য পুলিশের তদন্ত চলছে।”

Tag:

বর্ণাঢ্য র‍্যালী ও আলোচনা সভা সহ নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পটুয়াখালীতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বাউফলে মসজিদ থেকে গলায় গামছা প্যাঁ*চা*নো লা*শ উদ্ধার

আপডেট সময়: ১২:২৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মুঃ মুজিবুর রহমান, বাউফল, পটুয়াখালীঃ পটুয়াখালীর বাউফলে মসজিদ থেকে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় মো. আসাদুল রাঢ়ী (৫০) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকালে উপজেলার কেশবপুর গ্রামের রাঢ়ী বাড়ির মসজিদ থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। আসাদুল ওই গ্রামের মজিদ রাঢ়ীর ছেলে।

স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা যাওয়ার কথা বলে আসাদুল রাঢ়ী তার ভাই বাবুল রাঢ়ীর কাছ থেকে ১ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। সারাদিনে তিনি আর বাড়ি ফিরেননি। রাত সাড়ে ১০ টার দিকে বাড়ির সামনের মজসিদে ঢুকেন। তখন মসজিদের ইমাম জিজ্ঞাসা করলে তিনি (আসাদুল) জানান নামাজ পড়ে চলে যাবেন। কিছু সময় পর ইমাম বাড়িতে চলে যান। ভোর রাতে আসাদুলের চাচাতো ভাই দুলাল রাঢ়ী ফজরের আযান দিতে মসজিদে আসলে তাকে (আসাদুল) মসজিদের ব্যবহৃত গামছা গলায় প্যাঁচানো মৃত অবস্থায় বসা দেখে চিৎকার করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

আসাদুলের ভাই বাবুল রাঢ়ী জানান, “আমার ভাইর স্ত্রী সন্তান তার সাথে থাকে না। তারা ঢাকাতে থাকে। প্রায় ১ বছর ধরে আসাদুল বাড়িতে থাকছেন। গতকাল ঢাকা যাবেন বলে বাড়ি থেকে বের হয় সে। সকালে তার লাশ মসজিদে পাওয়া যায়। আত্মহত্যা করেছে নাকি অন্য কোনো ঘটনা আছে তা বলতে পারছি না।”

এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। লাশের সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো জানা যায়নি। সঠিক কারণ জানার জন্য পুলিশের তদন্ত চলছে।”