০৪:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালীতে ভ*য়া*বহ অ*গ্নিকা*ন্ডে ২৩টি বসতঘর পু*ড়ে ছাই

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ ভায়াবহ অগ্নিকান্ডে পটুয়াখালী শহরের চরপাড়া ওয়ায়েজিয়া কামিল মাদ্রাসার পশ্চিম পার্শ্বে টিনসেডের ২৩ টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারী) দুপুর দেড় টার দিকে এ ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মোতাহার আকন, মোস্তফা আকন, হারুন আকন, মনির আকন, উজ্জ্বল শীল, লিলি বেগম, আবুল, রাসেল, হুমায়ুন, জসিম, আকলিমা, রিয়াজ আকন, পারভীন, কহিনুর বেগম, লুৎফা বেগম, মাকসুদ, খলিল খান, জাফর খান, মরিয়ম, শ্যামল, সন্ধ্যা, রিনা রানী, সুজনসহ ২৩ বসতঘর ও চায়ের দোকান সম্পূর্নভাবে ভস্মিভূত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে।

পটুয়াখালী সদর ফয়ার সার্ভিস ও নদী ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট আধাঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছে। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রনের কাজে সহযোগীতায় উপস্থিত ছিলেন।

ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স পটুয়াখালী স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. রেজওয়ান জানান, ১ টা ৪০ মিনিট এর সময় খবর পেয়ে দুটি স্টেশনের ৬ টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আধা ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। ৩ টা ৩০ মিনিট এর সময় সম্পূর্নভাবে আগুন নেভানো হয়। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষতির পরিমাণ সঠিকভাবে তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয় বলে জানান স্টেশন অফিসার মো. রেজওয়ান।

উক্ত ২৩ টি পরিবার আগুনে সর্বশান্ত হয়ে পথে বসেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের কান্নায় এলাকায় বাতাস ভারি হচ্ছে। প্রশাসন ও পৌরসভার কর্তৃৃপক্ষরা ঘটনাস্থলে পৌছে ক্ষয়ক্ষতির নিরূপন করতে দেখা গেছে।

Tag:
জনপ্রিয়

দশমিনায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে শান্তিপূর্ণভাবে দুই গ্রুপের পৃথক মিছিল-সমাবেশ অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীতে ভ*য়া*বহ অ*গ্নিকা*ন্ডে ২৩টি বসতঘর পু*ড়ে ছাই

আপডেট সময়: ১১:১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

জালাল আহমেদ, প্রধান প্রতিবেদকঃ ভায়াবহ অগ্নিকান্ডে পটুয়াখালী শহরের চরপাড়া ওয়ায়েজিয়া কামিল মাদ্রাসার পশ্চিম পার্শ্বে টিনসেডের ২৩ টি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারী) দুপুর দেড় টার দিকে এ ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় মোতাহার আকন, মোস্তফা আকন, হারুন আকন, মনির আকন, উজ্জ্বল শীল, লিলি বেগম, আবুল, রাসেল, হুমায়ুন, জসিম, আকলিমা, রিয়াজ আকন, পারভীন, কহিনুর বেগম, লুৎফা বেগম, মাকসুদ, খলিল খান, জাফর খান, মরিয়ম, শ্যামল, সন্ধ্যা, রিনা রানী, সুজনসহ ২৩ বসতঘর ও চায়ের দোকান সম্পূর্নভাবে ভস্মিভূত হয়েছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে।

পটুয়াখালী সদর ফয়ার সার্ভিস ও নদী ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিট আধাঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়েছে। এ সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা আগুন নিয়ন্ত্রনের কাজে সহযোগীতায় উপস্থিত ছিলেন।

ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স পটুয়াখালী স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. রেজওয়ান জানান, ১ টা ৪০ মিনিট এর সময় খবর পেয়ে দুটি স্টেশনের ৬ টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌছে আধা ঘন্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে সক্ষম হয়। ৩ টা ৩০ মিনিট এর সময় সম্পূর্নভাবে আগুন নেভানো হয়। আগুনের সূত্রপাত ও ক্ষতির পরিমাণ সঠিকভাবে তদন্ত ছাড়া বলা সম্ভব নয় বলে জানান স্টেশন অফিসার মো. রেজওয়ান।

উক্ত ২৩ টি পরিবার আগুনে সর্বশান্ত হয়ে পথে বসেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের কান্নায় এলাকায় বাতাস ভারি হচ্ছে। প্রশাসন ও পৌরসভার কর্তৃৃপক্ষরা ঘটনাস্থলে পৌছে ক্ষয়ক্ষতির নিরূপন করতে দেখা গেছে।