০৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খাবারে চেতনা নাশক প্রয়োগ করে চুরি; মালামালসহ আটক দুই

মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, গলাচিপা, পটুয়াখালীঃ খাবারের সাথে চেতনা নাশক ঔষধ মিশিয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তী হয়ে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন মা ও ছেলে। এ বিষয়ে চুরির মালামালসহ দুই চোরকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রামে। সূত্রে জানা যায়, ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক সারে ছয়টার সময়ে দুর্বৃত্তরা ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে খাবারের সাথে চেতনা নাশক ঔষধ মিশিয়ে রেখে গা ঢাকা দিয়ে থাকে। প্রতিদিনের মত রাত আনুমানিক দশ’টা থেকে এগারোটার ভিতরে রাতে খাবার খাওয়ার প্রস্তুতি শেষ করে দ্রুত শুয়ে পরেন মাহিনুর বেগম (মা) ও দশ বছরের শিশু আজিজুল। পরের দিন ৪ নভেম্বর সোমবার সকাল দশটা পর্যন্ত মা ও ছেলের কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে, বাড়ির লোকজন জানালা দিয়ে দেখতে পায়, মা ও ছেলে অচেতন অবস্থায় পরে আছে। তাৎক্ষণিক স্থানীয়দের সহযোগীতায় গলাচিপা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করালে ডাক্তারদের চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে জানান, দূর্বত্যরা তার পরনে থাকা গলা, কানের স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ঘরের ভিতরে সোলার ব্যাটারিসহ অনেক কিছু চুরি করে নিয়ে গেছে। এবিষয়ে থানায় অভিযোগ প্রদান করেন।

৪ নভেম্বর আনুমানিক সন্ধ্যা সারে সাত’টার সময়ে আমতলী উপজেলার আঠারো গাছিয়া ইউনিয়ের ৬ নং ওয়ার্ডের দেলোয়ার মৃধার ছেলে মাহাতাব মৃধা (৪০) চুরিকৃত সোলার ব্যাটারি আমখলা বাজারে বিক্রি করার সময়ে বিট পুলিশের হাতে আটক হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জরিত ব্যাক্তিদের নাম পরিচয় স্বীকার করে। চোর আটকের খবর শুনে অভিযোগ কারী মাহিনুর বেগমের মেয়ে সিমা, বাজারে উপস্থিত হয়ে তাদের ব্যবহারকৃত জিনিসপত্র শনাক্ত করলে, পুলিশের অভিযানে সুকৌশলে ৫ নভেম্বর গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে হাবিব মৃধার ছেলে রাসেদুল (৩৪) কে আটক করে পুলিশ।

এবিষয়ে গলাচিপা থানার ওসি মোঃ আশাদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সারা দেশেই কিছুনা কিছু বিছিন্ন ঘটনা হচ্ছে। যেহেতু বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়োন্ত্রনে আনার শতভাগ চেষ্টা করছেন, তারই ধারাবাহিতায় আমখোলা ঘটনার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে ৩৬ ঘন্টার ভিতরই চুরিকৃত মালামাল এবং চেতনা নাশক ঔষধ সহ দুজন চোর’কে আটক করে প্রচলিত আইনে মামলায় জেল হাজতে পাঠাতে সক্ষম হয়েছি। এছাও বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag:

দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে আগাম প্রস্তুতিতে গলাচিপায় ‘কেয়ার অ্যালার্ট ফেজ-২’ প্রকল্পের ইউনিয়ন পর্যায়ের সভা অনুষ্ঠিত

খাবারে চেতনা নাশক প্রয়োগ করে চুরি; মালামালসহ আটক দুই

আপডেট সময়: ১১:৪১:০৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর ২০২৪

মু. জিল্লুর রহমান জুয়েল, গলাচিপা, পটুয়াখালীঃ খাবারের সাথে চেতনা নাশক ঔষধ মিশিয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। মুমূর্ষু অবস্থায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তী হয়ে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন মা ও ছেলে। এ বিষয়ে চুরির মালামালসহ দুই চোরকে আটক করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রামে। সূত্রে জানা যায়, ৩ নভেম্বর সন্ধ্যা আনুমানিক সারে ছয়টার সময়ে দুর্বৃত্তরা ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে খাবারের সাথে চেতনা নাশক ঔষধ মিশিয়ে রেখে গা ঢাকা দিয়ে থাকে। প্রতিদিনের মত রাত আনুমানিক দশ’টা থেকে এগারোটার ভিতরে রাতে খাবার খাওয়ার প্রস্তুতি শেষ করে দ্রুত শুয়ে পরেন মাহিনুর বেগম (মা) ও দশ বছরের শিশু আজিজুল। পরের দিন ৪ নভেম্বর সোমবার সকাল দশটা পর্যন্ত মা ও ছেলের কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে, বাড়ির লোকজন জানালা দিয়ে দেখতে পায়, মা ও ছেলে অচেতন অবস্থায় পরে আছে। তাৎক্ষণিক স্থানীয়দের সহযোগীতায় গলাচিপা সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করালে ডাক্তারদের চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে জানান, দূর্বত্যরা তার পরনে থাকা গলা, কানের স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ঘরের ভিতরে সোলার ব্যাটারিসহ অনেক কিছু চুরি করে নিয়ে গেছে। এবিষয়ে থানায় অভিযোগ প্রদান করেন।

৪ নভেম্বর আনুমানিক সন্ধ্যা সারে সাত’টার সময়ে আমতলী উপজেলার আঠারো গাছিয়া ইউনিয়ের ৬ নং ওয়ার্ডের দেলোয়ার মৃধার ছেলে মাহাতাব মৃধা (৪০) চুরিকৃত সোলার ব্যাটারি আমখলা বাজারে বিক্রি করার সময়ে বিট পুলিশের হাতে আটক হয় এবং জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সাথে জরিত ব্যাক্তিদের নাম পরিচয় স্বীকার করে। চোর আটকের খবর শুনে অভিযোগ কারী মাহিনুর বেগমের মেয়ে সিমা, বাজারে উপস্থিত হয়ে তাদের ব্যবহারকৃত জিনিসপত্র শনাক্ত করলে, পুলিশের অভিযানে সুকৌশলে ৫ নভেম্বর গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে হাবিব মৃধার ছেলে রাসেদুল (৩৪) কে আটক করে পুলিশ।

এবিষয়ে গলাচিপা থানার ওসি মোঃ আশাদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, সারা দেশেই কিছুনা কিছু বিছিন্ন ঘটনা হচ্ছে। যেহেতু বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনী যৌথভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়োন্ত্রনে আনার শতভাগ চেষ্টা করছেন, তারই ধারাবাহিতায় আমখোলা ঘটনার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে ৩৬ ঘন্টার ভিতরই চুরিকৃত মালামাল এবং চেতনা নাশক ঔষধ সহ দুজন চোর’কে আটক করে প্রচলিত আইনে মামলায় জেল হাজতে পাঠাতে সক্ষম হয়েছি। এছাও বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।