১১:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জের শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী বরগুনার তালতলী হতে র‍্যাব এর অভিযানে গ্রেফতার

সাউথ বিডি নিউজ ২৪ ডেস্কঃ র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং র‌্যাব-৩, সিপিএসসি এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গতকাল ১৫ মে ৪:১০ ঘটিকায় বরগুনা জেলার তালতলী ধানাধীন নিদ্রা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নারায়নগঞ্জ জেলার আলোচিত ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী হৃদয় (২২), পিতা-হুমায়ুন, সাং-পাগলা, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার বাসিন্দা ভিকটিম (১৩) পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে আসামী হৃদয় প্রায়শই তাকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। কিন্তু ভিকটিম তা প্রত্যাখ্যান করলে আসামী হৃদয় (২২) তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ২০/১০/২০২৩ ইং তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫ ঘটিকায় ভিকটিম কেনাকাটার উদ্দেশ্যে পাগলা বাজারে যায়। দীর্ঘ সময় বাড়িতে ফিরে না আসায় তার পরিবারের সদস্যরা নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানায় একটি নিখোঁজ ডাইরি করেন। পরবর্তীতে গত ২৩/১০/২০২৩ইং তারিখ ভোর ৬ ঘটিকায় ভিকটিম বাড়িতে ফিরে আসে। বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় গত ২০/১০/২০২৩ইং তারিখে বাজার থেকে মিশুকযোগে বাড়িতে আসার পথে আসামী হৃদয়সহ অজ্ঞাত ৩/৪ জন আসামী তার বহনকৃত মিশুকের নিকট এসে মিশুক চালকের সহায়তায় তার দুই হাত বেঁধে, মুখে রুমাল দিয়ে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পড়লে আসামীরা তাকে পাগলা নয়াহাটি বাজারের কাছে রেখে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ভিকটিমের মাতা রোজিনা বেগম বাদী হয়ে নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে, ফতুল্লা থানা পুলিশ আসামীকে গ্রেফতারের জন্য প্রথমে র‍্যাব-৩ এবং পরবর্তীতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প বরাবর অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। র‍্যাব বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে বরগুনা জেলার তালতলী থানার নিদ্রা বাজার এলাকা থেকে অভিযান পরিচালনা করে পলায়নরত আসামী হৃদয় (২২)’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এর নিমিত্তে নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়।

Tag:

পটুয়াখালীর দশমিনায় নিজ ছেলেকে বিক্রি করে আইফোন কিনলেন বাবা! শিশুটিকে উদ্ধারে নেমেছে পুলিশ

নারায়ণগঞ্জের শিশু ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী বরগুনার তালতলী হতে র‍্যাব এর অভিযানে গ্রেফতার

আপডেট সময়: ০৮:২৩:২৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

সাউথ বিডি নিউজ ২৪ ডেস্কঃ র‌্যাব-৮, সিপিসি-১ (পটুয়াখালী ক্যাম্প) এবং র‌্যাব-৩, সিপিএসসি এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গতকাল ১৫ মে ৪:১০ ঘটিকায় বরগুনা জেলার তালতলী ধানাধীন নিদ্রা বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নারায়নগঞ্জ জেলার আলোচিত ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামী হৃদয় (২২), পিতা-হুমায়ুন, সাং-পাগলা, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়নগঞ্জ’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার বাসিন্দা ভিকটিম (১৩) পাগলা উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে আসামী হৃদয় প্রায়শই তাকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। কিন্তু ভিকটিম তা প্রত্যাখ্যান করলে আসামী হৃদয় (২২) তাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত ২০/১০/২০২৩ ইং তারিখ বিকাল আনুমানিক ৫ ঘটিকায় ভিকটিম কেনাকাটার উদ্দেশ্যে পাগলা বাজারে যায়। দীর্ঘ সময় বাড়িতে ফিরে না আসায় তার পরিবারের সদস্যরা নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানায় একটি নিখোঁজ ডাইরি করেন। পরবর্তীতে গত ২৩/১০/২০২৩ইং তারিখ ভোর ৬ ঘটিকায় ভিকটিম বাড়িতে ফিরে আসে। বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় গত ২০/১০/২০২৩ইং তারিখে বাজার থেকে মিশুকযোগে বাড়িতে আসার পথে আসামী হৃদয়সহ অজ্ঞাত ৩/৪ জন আসামী তার বহনকৃত মিশুকের নিকট এসে মিশুক চালকের সহায়তায় তার দুই হাত বেঁধে, মুখে রুমাল দিয়ে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোড়পূর্বক ধর্ষণ করে। ভিকটিম অসুস্থ হয়ে পড়লে আসামীরা তাকে পাগলা নয়াহাটি বাজারের কাছে রেখে পালিয়ে যায়। এ ব্যাপারে ভিকটিমের মাতা রোজিনা বেগম বাদী হয়ে নারায়নগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে, ফতুল্লা থানা পুলিশ আসামীকে গ্রেফতারের জন্য প্রথমে র‍্যাব-৩ এবং পরবর্তীতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প বরাবর অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। র‍্যাব বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্ব দিয়ে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে বরগুনা জেলার তালতলী থানার নিদ্রা বাজার এলাকা থেকে অভিযান পরিচালনা করে পলায়নরত আসামী হৃদয় (২২)’কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামীকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এর নিমিত্তে নারায়ণগঞ্জ জেলাধীন ফতুল্লা থানায় হস্তান্তর করা হয়।