১০:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পটুয়াখালী-১ আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস প্রার্থী নাসির তালুকদারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীতে জনকর্ম সহায়ক সোসাইটি (জনক) নামক এনজিও সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মনোনীত ডাব মার্কার প্রার্থী মো. নাসির উদ্দিন তালুকদারের বিরুদ্ধে পাঁচ শতাধিক সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতারনা করে ৮০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে মামলা করেছেন পূর্ব জৈনকাঠী নিবাসী প্রতারনার শিকার ভুক্তভোগী মো. সাইফুল্লাহ। মামলা নং -২২৮/২৩। বিজ্ঞ আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশিকুর রহমান মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে বাদীর আইনজীবী এ্যাড. ফোরকান রতন নিশ্চিত করেছেন।

২৮ ডিসেম্বর বৃহষ্পতিবার উক্ত আদালতে দায়ের করা মামলায় বাদী সাইফুল্লাহ অভিযোগ করে বলেছেন, সদর উপজেলার জৈনকাঠী ইউনিয়নের পূর্ব জৈনকাঠী গ্রামের মৃত হাকিম তালুকদারের ছেলে মো. নাসির উদ্দিন তালুকদার পশ্চিম জৈনকাঠীর চন্দনবাড়িয়া নামক স্থানে জনকর্ম সহায়ক সোসাইটি (জনক) নামক একটি এনজিও অফিস করে। পরবর্তীতে পটুয়াখালী পৌরসভার কলেজ রোড এলাকার জাকিয়া মঞ্জিল ভবনের নিচতলায় উন্নতমানের আসবাবপত্র ও অফিসিয়াল সাজসজ্জায় সজ্জিত করে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কিছু কাগজপত্র নিয়ে জনক নামক এনজিও অফিস খুলে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে জৈনকাঠী এলকার প্রায় পাঁচ শতাধিক সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে আনুমানিক ৮০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হন। এ খবর পেয়ে বাদী সাইফুল্লাহসহ ভুক্তভোগী গ্রাহকরা জনক অফিসে গিয়ে নাসির তালুকদারকে না পেয়ে অফিসে থাকা জনক’র সভাপতি ১ নং আসামী নাসির উদ্দিন তালুকদারের আপন মামা মামলার ২ নং আসামী মো. মোস্তফা জামাল (৫৫), তার চাচা নির্বাহী সদস্য ৩ নং আসামী আঃ হাই তালুকদার(৬৫), স্ত্রী লাইজু পারভীন (৪০) কোষাধ্যক্ষ ৪ নং আসামী, দপ্তর সম্পাদক আপন খালু ৫ নং আসামী এনায়েত হোসেন(৬০), শ্যালিকা কাকুলী(৩৫) সাংগঠনিক সম্পাদক ৬ নং আসামী ও ভায়রা সহ- সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম (৪০) ৭ নং আসামীদের কাছে জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, সব টাকা আত্মসাত করেছে নাসির তালুকদার। তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই, যোগাযোগ নাই।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিলে খবর পেয়ে নাসির তালুকদার আত্মগোপন থেকে এসে সকল গ্রাহকদের সমুদয় টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জনকর্ম সহায়ক সোসাইটি জনক এর নির্ধারিত প্যাডে ২৩ টি চুক্তিপত্রে ২৯,৯৫,০০০ টাকা ও সঞ্চয়ই জমার পাসবইয়ের ৬,২৬,৪৪০ টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন নাসির। এ ছাড়াও বিগত ০৫.০৭.২০১২ ই তারিখ ১৫০ টাকার নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে এক বছরের মধ্যে সকল গ্রহকের সমুদয় টাকা ফেরত দিবে মর্মে একটি অঙ্গীকারনামা প্রদান করেছিলেন জনক এনজিওর সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন তালুকদার।

ঘটনারদিন ২৫.১২.২৩ ইং তারিখ বিকাল ৪.৩০ মিঃ সময় জৈনকাঠীস্থ জনক কার্যালয়ের সামনে বাদী মো. সাইফুল্লাহসহ ১৩ জন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা পাওনা টাকার বিষয় জিজ্ঞাসা করলে নাসির তালুকদার সু- কৌশলে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে বলে নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আছি৷ কোন টাকা পাবিনা পারলে আদায় করিস বলে দ্রুত চলে যায়।

প্রকাশ, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১( সদর- মির্জাগঞ্জ- দুমকি) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস নামক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ডাব মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন। এ খবর পেয়ে বাদী সাইফুল্লাহসহ ভুক্তভোগী গ্রাহকরা জনক অফিসে গিয়ে নাসির তালুকদারকে না পেয়ে অফিসে থাকা জনক’র সভাপতি ১ নং আসামী নাসির উদ্দিন তালুকদারের আপন মামা মামলার ২ নং আসামী মো. মোস্তফা জামাল(৫৫), তার চাচা নির্বাহী সদস্য ৩ নং আসামী আঃ হাই তালুকদার(৬৫), স্ত্রী লাইজু পারভীন (৪০) কোষাধ্যক্ষ ৪ নং আসামী, দপ্তর সম্পাদক আপন খালু ৫ নং আসামী এনায়েত হোসেন(৬০), শ্যালিকা কাকুলী(৩৫) সাংগঠনিক সম্পাদক ৬ নং আসামী ও ভায়রা সহ- সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম (৪০) ৭ নং আসামীদের কাছে জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, সব টাকা আত্মসাত করেছে নাসির তালুকদার। তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই, যোগাযোগ নাই।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিলে খবর পেয়ে নাসির তালুকদার আত্মগোপন থেকে এসে সকল গ্রাহকদের সমুদয় টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জনকর্ম সহায়ক সোসাইটি জনক এর নির্ধারিত প্যাডে ২৩ টি চুক্তিপত্রে ২৯,৯৫,০০০ টাকা ও সঞ্চয়ই জমার পাসবইয়ের ৬,২৬,৪৪০ টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ ছাড়াও বিগত ০৫.০৭.২০১২ ই তারিখ ১৫০ টাকার নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে এক বছরের মধ্যে সকল গ্রহকের সমুদয় টাকা ফেরত দিবে মর্মে একটি অঙ্গীকারনামা প্রদান করেছিলেন জনক এনজিওর সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন তালুকদার।

ঘটনার দিন ২৫.১২.২৩ ইং তারিখ বিকাল ৪.৩০ মিঃ সময় জৈনকাঠীস্থ জনক কার্যালয়ের সামনে বাদী মো. সাইফুল্লাহসহ ১৩ জন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা পাওনা টাকার বিষয় জিজ্ঞাসা করলে নাসির তালুকদার সু-কৌশলে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে বলে নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আছি৷ কোন টাকা পাবিনা পারলে আদায় করিস বলে দ্রুত চলে যায়।

প্রকাশ, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (সদর- মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস নামক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ডাব মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন।

Tag:

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সেইভ করুন:

আমাদের সম্পর্কে জানুন:

South BD News 24

South BD News 24 is committed to publish the daily news of South Bengal based on authenticity, honesty and courage...

দশমিনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বরাবর ভূমি জবর দখলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল

পটুয়াখালী-১ আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস প্রার্থী নাসির তালুকদারের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

আপডেট সময়: ০১:৩৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ ডিসেম্বর ২০২৩

পটুয়াখালী প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালীতে জনকর্ম সহায়ক সোসাইটি (জনক) নামক এনজিও সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পটুয়াখালী-১ (সদর-মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির মনোনীত ডাব মার্কার প্রার্থী মো. নাসির উদ্দিন তালুকদারের বিরুদ্ধে পাঁচ শতাধিক সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রতারনা করে ৮০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে পটুয়াখালী বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে মামলা করেছেন পূর্ব জৈনকাঠী নিবাসী প্রতারনার শিকার ভুক্তভোগী মো. সাইফুল্লাহ। মামলা নং -২২৮/২৩। বিজ্ঞ আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আশিকুর রহমান মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে বাদীর আইনজীবী এ্যাড. ফোরকান রতন নিশ্চিত করেছেন।

২৮ ডিসেম্বর বৃহষ্পতিবার উক্ত আদালতে দায়ের করা মামলায় বাদী সাইফুল্লাহ অভিযোগ করে বলেছেন, সদর উপজেলার জৈনকাঠী ইউনিয়নের পূর্ব জৈনকাঠী গ্রামের মৃত হাকিম তালুকদারের ছেলে মো. নাসির উদ্দিন তালুকদার পশ্চিম জৈনকাঠীর চন্দনবাড়িয়া নামক স্থানে জনকর্ম সহায়ক সোসাইটি (জনক) নামক একটি এনজিও অফিস করে। পরবর্তীতে পটুয়াখালী পৌরসভার কলেজ রোড এলাকার জাকিয়া মঞ্জিল ভবনের নিচতলায় উন্নতমানের আসবাবপত্র ও অফিসিয়াল সাজসজ্জায় সজ্জিত করে সরকার কর্তৃক অনুমোদিত কিছু কাগজপত্র নিয়ে জনক নামক এনজিও অফিস খুলে অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে জৈনকাঠী এলকার প্রায় পাঁচ শতাধিক সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে আনুমানিক ৮০ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হন। এ খবর পেয়ে বাদী সাইফুল্লাহসহ ভুক্তভোগী গ্রাহকরা জনক অফিসে গিয়ে নাসির তালুকদারকে না পেয়ে অফিসে থাকা জনক’র সভাপতি ১ নং আসামী নাসির উদ্দিন তালুকদারের আপন মামা মামলার ২ নং আসামী মো. মোস্তফা জামাল (৫৫), তার চাচা নির্বাহী সদস্য ৩ নং আসামী আঃ হাই তালুকদার(৬৫), স্ত্রী লাইজু পারভীন (৪০) কোষাধ্যক্ষ ৪ নং আসামী, দপ্তর সম্পাদক আপন খালু ৫ নং আসামী এনায়েত হোসেন(৬০), শ্যালিকা কাকুলী(৩৫) সাংগঠনিক সম্পাদক ৬ নং আসামী ও ভায়রা সহ- সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম (৪০) ৭ নং আসামীদের কাছে জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, সব টাকা আত্মসাত করেছে নাসির তালুকদার। তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই, যোগাযোগ নাই।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিলে খবর পেয়ে নাসির তালুকদার আত্মগোপন থেকে এসে সকল গ্রাহকদের সমুদয় টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জনকর্ম সহায়ক সোসাইটি জনক এর নির্ধারিত প্যাডে ২৩ টি চুক্তিপত্রে ২৯,৯৫,০০০ টাকা ও সঞ্চয়ই জমার পাসবইয়ের ৬,২৬,৪৪০ টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন নাসির। এ ছাড়াও বিগত ০৫.০৭.২০১২ ই তারিখ ১৫০ টাকার নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে এক বছরের মধ্যে সকল গ্রহকের সমুদয় টাকা ফেরত দিবে মর্মে একটি অঙ্গীকারনামা প্রদান করেছিলেন জনক এনজিওর সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন তালুকদার।

ঘটনারদিন ২৫.১২.২৩ ইং তারিখ বিকাল ৪.৩০ মিঃ সময় জৈনকাঠীস্থ জনক কার্যালয়ের সামনে বাদী মো. সাইফুল্লাহসহ ১৩ জন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা পাওনা টাকার বিষয় জিজ্ঞাসা করলে নাসির তালুকদার সু- কৌশলে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে বলে নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আছি৷ কোন টাকা পাবিনা পারলে আদায় করিস বলে দ্রুত চলে যায়।

প্রকাশ, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১( সদর- মির্জাগঞ্জ- দুমকি) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস নামক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ডাব মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন। এ খবর পেয়ে বাদী সাইফুল্লাহসহ ভুক্তভোগী গ্রাহকরা জনক অফিসে গিয়ে নাসির তালুকদারকে না পেয়ে অফিসে থাকা জনক’র সভাপতি ১ নং আসামী নাসির উদ্দিন তালুকদারের আপন মামা মামলার ২ নং আসামী মো. মোস্তফা জামাল(৫৫), তার চাচা নির্বাহী সদস্য ৩ নং আসামী আঃ হাই তালুকদার(৬৫), স্ত্রী লাইজু পারভীন (৪০) কোষাধ্যক্ষ ৪ নং আসামী, দপ্তর সম্পাদক আপন খালু ৫ নং আসামী এনায়েত হোসেন(৬০), শ্যালিকা কাকুলী(৩৫) সাংগঠনিক সম্পাদক ৬ নং আসামী ও ভায়রা সহ- সভাপতি মো. সহিদুল ইসলাম (৪০) ৭ নং আসামীদের কাছে জিজ্ঞেস করলে তারা জানায়, সব টাকা আত্মসাত করেছে নাসির তালুকদার। তার সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নাই, যোগাযোগ নাই।

পরবর্তীতে ভুক্তভোগী গ্রাহকরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নিলে খবর পেয়ে নাসির তালুকদার আত্মগোপন থেকে এসে সকল গ্রাহকদের সমুদয় টাকা ফেরত দেয়ার কথা বলে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জনকর্ম সহায়ক সোসাইটি জনক এর নির্ধারিত প্যাডে ২৩ টি চুক্তিপত্রে ২৯,৯৫,০০০ টাকা ও সঞ্চয়ই জমার পাসবইয়ের ৬,২৬,৪৪০ টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এ ছাড়াও বিগত ০৫.০৭.২০১২ ই তারিখ ১৫০ টাকার নন জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পে এক বছরের মধ্যে সকল গ্রহকের সমুদয় টাকা ফেরত দিবে মর্মে একটি অঙ্গীকারনামা প্রদান করেছিলেন জনক এনজিওর সাধারন সম্পাদক নাসির উদ্দিন তালুকদার।

ঘটনার দিন ২৫.১২.২৩ ইং তারিখ বিকাল ৪.৩০ মিঃ সময় জৈনকাঠীস্থ জনক কার্যালয়ের সামনে বাদী মো. সাইফুল্লাহসহ ১৩ জন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা পাওনা টাকার বিষয় জিজ্ঞাসা করলে নাসির তালুকদার সু-কৌশলে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে বলে নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত আছি৷ কোন টাকা পাবিনা পারলে আদায় করিস বলে দ্রুত চলে যায়।

প্রকাশ, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-১ (সদর- মির্জাগঞ্জ-দুমকি) আসনে বাংলাদেশ কংগ্রেস নামক পার্টির মনোনীত প্রার্থী হিসাবে ডাব মার্কা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহন করছেন।