১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জাগঞ্জে তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকের সাথে নির্বাচন কর্মকর্তার অসদাচরণের অভিযোগ

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেলিম রেজার বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস না করা, সেবাপ্রার্থীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষমাণ রাখা এবং তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া এক সাংবাদিকের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়টি প্রতিদিন সকাল ৯টায় খোলার নিয়ম থাকলেও ওই কর্মকর্তা নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। কর্মস্থল মির্জাগঞ্জ হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরবর্তী বরিশাল শহর থেকে যাতায়াত করায় দপ্তরে পৌঁছাতে প্রায়ই দুপুর গড়িয়ে যায়।

এর ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংশোধন ও ভোটার তালিকা হালনাগাদসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা নিতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়ে অনেককে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি এসব অনিয়ম ও সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তির বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি জিয়াউর রহমানের ওপর ওই কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হন এবং অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন ওই গণমাধ্যমকর্মী।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, নির্বাচনী নানা ব্যস্ততার কারণে তিনি যথাসময়ে দপ্তরে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি বা কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটলে তা তিনি মীমাংসা করে নিয়েছেন বলে দাবি করেন।

ঘটনা প্রসঙ্গে পটুয়াখালীর সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ওহিদুজ্জামান মুন্সী জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্থানীয়রা জানান, নির্ধারিত সময়ে সেবা না পাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাচ্ছে। তাই সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।

Tag:

মির্জাগঞ্জে তথ্য সংগ্রহকালে সাংবাদিকের সাথে নির্বাচন কর্মকর্তার অসদাচরণের অভিযোগ

আপডেট সময়: ০৬:২৭:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেলিম রেজার বিরুদ্ধে নিয়মিত অফিস না করা, সেবাপ্রার্থীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষমাণ রাখা এবং তথ্য সংগ্রহ করতে যাওয়া এক সাংবাদিকের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়টি প্রতিদিন সকাল ৯টায় খোলার নিয়ম থাকলেও ওই কর্মকর্তা নিয়মিত উপস্থিত থাকেন না। কর্মস্থল মির্জাগঞ্জ হওয়া সত্ত্বেও তিনি প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরবর্তী বরিশাল শহর থেকে যাতায়াত করায় দপ্তরে পৌঁছাতে প্রায়ই দুপুর গড়িয়ে যায়।

এর ফলে জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংশোধন ও ভোটার তালিকা হালনাগাদসহ বিভিন্ন জরুরি সেবা নিতে দূর-দূরান্ত থেকে আসা সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও সেবা না পেয়ে অনেককে খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি এসব অনিয়ম ও সেবাপ্রার্থীদের ভোগান্তির বিষয়ে বক্তব্য নিতে গেলে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার প্রতিনিধি জিয়াউর রহমানের ওপর ওই কর্মকর্তা ক্ষিপ্ত হন এবং অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ করেন ওই গণমাধ্যমকর্মী।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান, নির্বাচনী নানা ব্যস্ততার কারণে তিনি যথাসময়ে দপ্তরে উপস্থিত থাকতে পারেননি। তবে সামান্য ভুল বোঝাবুঝি বা কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটলে তা তিনি মীমাংসা করে নিয়েছেন বলে দাবি করেন।

ঘটনা প্রসঙ্গে পটুয়াখালীর সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার ওহিদুজ্জামান মুন্সী জানান, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি অবগত নন। তবে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্থানীয়রা জানান, নির্ধারিত সময়ে সেবা না পাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাচ্ছে। তাই সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।