০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৯ মাসের কাজ ৮ বছরেও শেষ হয়নি মির্জাগঞ্জের কিসমত শ্রীনগর আদর্শ মাধ্যমিক স্কুলের একাডেমিক ভবন 

  • জালাল আহমেদ:
  • আপডেট সময়: ১০:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নে শিক্ষানুরাগী মো. নুরুল ইসলাম খান ১৯৮৫ ইং সনে প্রতিষ্ঠা করেন কিসমত শ্রীনগর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (বিদ্যালয় কোড -১২৪৫,ই আই এন-১০২৪২)। এ প্রতিষ্ঠানে পাঠদান,পাঠগ্রহনসহ শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ২০১৭ -২০১৮ অর্থ বছরে অনুন্নয়ন রাজস্ব খাতে কোড নং-১২৫০৩০১-১২৫০৩০১১০৯৯৭২-৪১১১২০১ (মাউশি) পুরাতন কোড: ৭০১৬ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার কিসমত শ্রীনগর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভিত বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবন নির্মান কাজটি দীর্ঘ ৮ বছরেও সম্পন্ন না করার এক অভিযোগ উঠেছে। এ ভবনটি নির্মান না করার কারনে বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্ন হচ্ছে বলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর পটুয়াখালী’র অধীন উক্ত একাডেমিক ভবন ৯ মাস সময়সীমা নির্ধারন পূর্বক গত ০৫.০২.২০১৯ তারিখ কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। কার্যাদেশ প্রদানের পর প্রায় ৮ বছর অতিবাহিত হলেও অদ্য পর্যন্ত  নির্মান কাজ সমাপ্ত করা না হওয়ায় প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশীদ মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। 

নির্বাহী অফিসার সরজমিনে পরিদর্শন করে পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয়ে চিঠি প্রেরন করেন। চিঠির কয়েক মাস পর নির্বাহী প্রকৌশলী ১২.০৪.২০২৬ ইং তারিখ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মো. বশির উদ্দিনকে আগামী ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে উল্লেখিত একাডেমিক ভবনের কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভবনটির নির্মান কাজ সম্পন্ন করা না হওয়ায় নির্মানাধীন ভবনটি  এখন ঝুঁকিতে পরিনত হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।

এদিকে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের অগ্রতির প্রতিবেদনে জানা গেছে, ঠিকাদারের নাম মো. বশির উদ্দিন, চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের তারিখ ০৫.০২.১৯ ইং, দরপত্র মূল্য ৭১লক্ষ ২৫ হাজার টাকা, জুন/ ২৬ পর্যন্ত লক্ষ্য মাতা শতভাগ, জুন/ ২৫ পর্যন্ত বাস্তবায়ন ৭০%, টাকায় ৫৭ লক্ষ টাকা, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়নে ৫% অগ্রগতি এবং সমাপ্তির তারিখ  দেখানো হয়েছে ২৫.০৬.২৬ খ্রিঃ।

সরজমিনে দেখা গেছে  কাজ শেষ করার আগেই নির্মানাধীন একাডেমিক ভবনটি শেওলা পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষগণের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয় লোকজন। 

এ বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশলী পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী আঃ লতিফ জানান, “আমি নতুন এসেছি, পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।” 

ঠিকাদারের প্রতিনিধি রফিক মৃধা বলেন, “দুই একদিনের মধ্যে কাজ শুরু করবো। দরজা, জানালা বানানো আছে।”

Tag:

পবিপ্রবিতে র‍্যাগিং-নির্যাতনে জড়িত ১৩ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহন

৯ মাসের কাজ ৮ বছরেও শেষ হয়নি মির্জাগঞ্জের কিসমত শ্রীনগর আদর্শ মাধ্যমিক স্কুলের একাডেমিক ভবন 

আপডেট সময়: ১০:২৩:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মাধবখালী ইউনিয়নে শিক্ষানুরাগী মো. নুরুল ইসলাম খান ১৯৮৫ ইং সনে প্রতিষ্ঠা করেন কিসমত শ্রীনগর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় (বিদ্যালয় কোড -১২৪৫,ই আই এন-১০২৪২)। এ প্রতিষ্ঠানে পাঠদান,পাঠগ্রহনসহ শিক্ষা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ২০১৭ -২০১৮ অর্থ বছরে অনুন্নয়ন রাজস্ব খাতে কোড নং-১২৫০৩০১-১২৫০৩০১১০৯৯৭২-৪১১১২০১ (মাউশি) পুরাতন কোড: ৭০১৬ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় পটুয়াখালী জেলার মির্জাগঞ্জ উপজেলার কিসমত শ্রীনগর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৪ তলা ভিত বিশিষ্ট একতলা একাডেমিক ভবন নির্মান কাজটি দীর্ঘ ৮ বছরেও সম্পন্ন না করার এক অভিযোগ উঠেছে। এ ভবনটি নির্মান না করার কারনে বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বিঘ্ন হচ্ছে বলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর পটুয়াখালী’র অধীন উক্ত একাডেমিক ভবন ৯ মাস সময়সীমা নির্ধারন পূর্বক গত ০৫.০২.২০১৯ তারিখ কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। কার্যাদেশ প্রদানের পর প্রায় ৮ বছর অতিবাহিত হলেও অদ্য পর্যন্ত  নির্মান কাজ সমাপ্ত করা না হওয়ায় প্রধান শিক্ষক হারুন অর রশীদ মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। 

নির্বাহী অফিসার সরজমিনে পরিদর্শন করে পটুয়াখালী শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরে নির্বাহী প্রকৌশলী কার্যালয়ে চিঠি প্রেরন করেন। চিঠির কয়েক মাস পর নির্বাহী প্রকৌশলী ১২.০৪.২০২৬ ইং তারিখ সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার মো. বশির উদ্দিনকে আগামী ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে উল্লেখিত একাডেমিক ভবনের কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ভবনটির নির্মান কাজ সম্পন্ন করা না হওয়ায় নির্মানাধীন ভবনটি  এখন ঝুঁকিতে পরিনত হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম।

এদিকে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ের অগ্রতির প্রতিবেদনে জানা গেছে, ঠিকাদারের নাম মো. বশির উদ্দিন, চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের তারিখ ০৫.০২.১৯ ইং, দরপত্র মূল্য ৭১লক্ষ ২৫ হাজার টাকা, জুন/ ২৬ পর্যন্ত লক্ষ্য মাতা শতভাগ, জুন/ ২৫ পর্যন্ত বাস্তবায়ন ৭০%, টাকায় ৫৭ লক্ষ টাকা, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়নে ৫% অগ্রগতি এবং সমাপ্তির তারিখ  দেখানো হয়েছে ২৫.০৬.২৬ খ্রিঃ।

সরজমিনে দেখা গেছে  কাজ শেষ করার আগেই নির্মানাধীন একাডেমিক ভবনটি শেওলা পড়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষগণের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকসহ স্থানীয় লোকজন। 

এ বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশলী পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী আঃ লতিফ জানান, “আমি নতুন এসেছি, পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।” 

ঠিকাদারের প্রতিনিধি রফিক মৃধা বলেন, “দুই একদিনের মধ্যে কাজ শুরু করবো। দরজা, জানালা বানানো আছে।”